ওসাম দেশের ওসাম নিয়ম। চাকরী করতে গেলে অভিজ্ঞতা লাগবে কোন প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা ও পাশ করবার কাঠামো টা তেমন করে গড়া হয় নি তাহলে এক্সপেরিয়েন্স সনদ কি নাযিল হবে আসমান হতে?
যে কোন বিষয়ের সিলেবাসটা একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে বছরের পর বছর একই বিষয়ের পড়াশুনো বারবার রিপিট করা হচ্ছে সিলেবাস বড় করবার জন্য অথচ কত নতুন বিষয় বাদ পড়ে যাচ্ছে। সেম শিট দিয়ে টার্মের পর টার্ম কাজ চালানো হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ের... এভাবেই একই গরুর বিভিন্ন নাম দিয়ে কোর্স রিপিটেশন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা হচ্ছে কিন্তু নতুন বিষয় বা সম্ভাবনাগুলি জানছে না কেউ। যেমন কেউ আমাকে মেরিন ইকোলজি ও মেরিন বায়লজির মধ্যে পার্থক্য দেখাতে পারবেন যে এই এই কারণে এই দুটি টপিককে অালাদা ৩ ক্রেডিটের বিষয়রুপে পড়ানো উচিত ও তাতে এই এই ফায়দা হবে.... যেখানে রিমোট সেন্সিং ও ডাটা প্রসেসিং এর একটি ইন্টার্নশিপ ঢুকিয়ে দিলেই কতই না ফায়দা হবে... ব্যবহারিক শিক্ষা + ওই প্রতিষ্ঠান হতে ৬ মাস কাজ করেছে তার সনদ। হয়ে গেল অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট।
যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন বিষয়েই এই কাজ করা সম্ভব। ছাত্রছাত্রীরা চয়েজ করবে যে তারা ইন্টার্নশিপ নেবে নাকি থিসিস/প্রজেক্ট নেবে। যার যার ভবিষ্যত। গবেষণামুখীরা থিসিস নেবে, চাকুরীপ্রার্থীরা নেবে ইন্টার্নশিপ।
আমার এক বন্ধু থিসিস করেছিল এক হ্যাচারিতে গিয়ে। যার পেপারটা আমার সাথেই পাবলিশড। তো সে দেখলাম ৬ মাস যে সেখানে কাজ করেছে তার একটা সনদ বানায়ে হ্যাচারী প্রধান ও সুপারভাইজর দিয়ে সাইন করিয়ে নিলো... দাপ্তরিক সীল সহ.... ব্যাপারটা বেশ ইনোভেটিভ ছিলো.... চাকরির বাজার... বুঝতে হবে.... কিন্তু বিষয়টা আরও লীগালাইজড ও সর্বজন অনুমোদিত করা যায় যদি বিশ্ববিদ্যালয় বা সেই বিষয়ের চেয়ারম্যান স্যারের সুদৃষ্টি ও চেষ্টা থাকে....
তেমন কোন জটিল কাজই নয়। শুধু একটা সুপারিশপত্র ও সহযোগীটা চুক্তি স্বাক্ষর করতে হয়। যা কত সহজ তার কোন ইয়ত্তা নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রফেসর যদি কোন প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ডেকে বলেন প্রতিবছর আপনার প্রতিষ্ঠানে অবৈতনিক ৬ মাসের জন্য আমার ৪-৫ জন ছাত্র খাটবে আপনাদের কাজ শিখবার জন্য, আমার বিশ্বাস প্রতিষ্ঠান প্রধান লাফাতে লাফাতে রাজি হয়ে যাবে.... এবং যদি উপাচার্য বা মন্ত্রী লেভেলের সুদৃষ্টি ও সুপারিশ থাকে ইন্টার্ণশিপের ব্যপারে তবে তো............. যা যোগাড় করা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তেমন কোন কঠিন বিষয়ই হবার কথা না....
শুধু দরকার নির্লোভ বাস্তবমুখী গঠনমূলক মন-মানসিকতার.... আর কিছু না....
সকলে মিলে আওয়াজ তোল এখনই.... অনুরোধ করে দেখ স্যারেদেরকে... যদি হয় কোন ব্যবস্থা.... ইন্টার্নশীপের..... :)
জয় বাংলা ..... :) সকাল আসবেই :)

নমুনাতে চালাকির একটি উদাহরণ
যে দেশ, সেই নিয়ম..... :)
Comments
Post a Comment