Skip to main content

Posts

Showing posts from June, 2021

জার্নালের ফী কত করে?

মন দিয়ে পড়তে হবে। ছকটি খেয়াল করে দেখি। জার্নালা দু প্রকারঃ ভাল জার্নাল নিম্নমানের জার্নাল ভাল জার্নাল ৪ প্রকারঃ উচ্চ Q1 মধ্য Q2 মোটামুটি Q3 চলে Q4 এখন প্রতিটা Q1, Q2, Q3 ও Q4 এর ধরণ ভেদে দুটি সুবিধা রয়েছেঃ Open Access মানে হলো পুরো পেপারটা ডাউনলোড করা যায়। Close Access মানে হলো খালি এবস্ট্রাক্ট/অনেক ক্ষেত্রে এটাও দেখতে দেয়না। শুধু শিরোনাম দেখায়। পুরো পেপার নিতে হলে ডলার দেয়া লাগে। বা চুরি করা লাগে। আর এই সবগুলির-ই ছবিতে দেয়া সবকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। অর্থাৎ ভাল জার্নালেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। খারাপেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। আর এদের মধ্যেঃ C1 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C2 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C3 ছাপানো ফ্রী কিন্তু পুরো পেপার দেখা যায় না। C4 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নাল এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে। C5 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নালগুলি এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে যারা পাবলিকেশন চার্জ নেয় না কিন্তু রঙিন ছবি বা গ...

গবেষণার Step বাই Step....

  গবেষণার কথা মাথায় আসলেই যেসকল বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে তা ক্রমানুসারে নিচে দেয়া হইলোঃ কি নিয়ে করবো গবেষণা টাকা ছাড়া জার্নাল হতে পেপার ডাউনলোড কি নেব? থিসিস/প্রজেক্ট নাকি ইন্টার্নশিপ রিসার্চগেট আইডি খোলা গবেষণা প্রস্তাব বা সিনোপসিস গবেষণার জন্য ফান্ড সংগ্রহ থিসিস লেখার নিয়ম গবেষণা পত্র লেখার নিয়ম গবেষণাপত্র Submission এর নিয়মাবলী প্লাগিয়ারিজম কি জিনিস? লেখার পর যা করবো ছাপানোর টাকা যদি লাগে পেপার রিজেক্ট হলে কি করবো? পোস্টার প্রেজেন্টেশন ওরাল প্রেজেন্টেশন কিছু বাড়তি স্কিল শিখুনঃ ল্যাব যন্ত্রপাতি আাঁকা (এখানে ক্লিক করুন) R প্রোগ্রামিং ( এখানে ক্লিক করুন ) তথ্য মানচিত্র বানানো ( এখানে ক্লিক করুন ) Identifying Plankton ( এখানে ক্লিক করুন ) কিছু মোবাইল application ( এখানে ক্লিক করুন ) কেমন হবে পড়ার ঘরের দেয়াল? (এখানে ক্লিক করুন) প্রতিটা লিংককে ক্লিক করলেই বিস্তারিত জানা যাবে। প্রতিটা শব্দ মন দিয়ে পড়লে মোটামুটি ধারণা হয়ে যাবে গবেষণার প্রতিটি ধাপ সম্পর্কে। সকলে ভাল থাকুন ও আমার জন্য দুয়া করবেন। আমিন।

PhD প্রস্তুতি (সময়ভাগ ও পড়াশুনা)

  PhD আজকাল একটু কঠিনই হয়ে পড়ছে দিন দিন। স্কলারশিপ পাওয়া হতে শুরু করে টপিক ঠিক করা,সময়ভাগ করা,পড়াশুনা করা,থিসিস লেখা, থিসিস এর রিভিউ পাশ হওয়া, ডিফেন্স পাশ করা, গবেষণা পত্র প্রকাশ, ডিগ্রিপাওয়া.... ইত্যাদি। তাই আমরা নিচের কাজগুলিকে আলাদা আলাদা ছকে ফেলে শুরু করবো। তাহলেই PhD একটু সহজ হতে পারে। বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা :) ইউনিভার্সিটি কি চায়ঃ আপনার বিশ্ববিদ্যালয় PhD ডিগ্রি দিতে আপনার হতে কি কি চায়, সব ডকুমেন্ট, রিকোয়ারমেন্ট ভাল করে বুঝে নেবেন যেমনঃ ২টি কনফারেন্স, ৩টা পাবলিশড পেপার, ১টি বই ইত্যাদি যা বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়। এর আগে কে কে ওই বিশ্ববিদ্যালয় হতে PhD নিয়েছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করে নিলে বাল হয়। সব শুনে লিপিবদ্ধ করে রাখবেন যেন কোন ডকুমেন্ট মিস না হয়। নাহিলে পরে দৌড়াদৌড়ি লেগে যাবে, সাথে হয়রানি বোনাস...... প্রফেসর কি চানঃ আপনি যে রিসার্চ প্রোপজাল দিয়েছিলেন তাই যে আপনাকে দিয়ে করাবে তা ভাবা ভুল। তাই প্রফেসর কনো ধরনের কাজ করছেন এখন, তার ল্যাবে কি কি করা যায়, তিনি কি পছন্দ করেন, তা ঘুরে ঘুরে লিখে প্রফেসরের সাথে আলোচনা করে ঠিক করে নিতে হবে। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। ...

গবেষণা প্রস্তাব (Research Proposal) কেরুম হপে?

  দেশ হতে বিদেশে পড়তে গেলে অন্য সকল ডকুমেন্ট এর সাথে গবেষণা প্রস্তাব বা Research Proposal বা Study Plan দিতে হয় সুপারভাইজরকে যেন তিনি সহজেই আপনার জ্ঞানের পরিধী ও কর্ম দক্ষতা হিসেব করে ফেলতে পারে। বাড়াবাড়ি কিছু লেখা যাবে না। তাহলে শুরু করা যাকঃ প্রথমে পৃষ্টার উপরে Research Proposal বা Study Plan লিখবেন। বোল্ড করে। তারপর শুরু হবেঃ Research Title: একলাইনে গবেষণার বিষয়টি লিখে ফেলতে হবে যেন তা সহজেই বোধগম্য হয়। কঠিন শব্দ ব্যবহার করে খামাখা বিষয়কে জটিল না করাই শ্রেয়। এতে অনেকে বিরক্ত হন। Introduction: কি করতে চান, কোথায় করতে চান, কেন করতে চান তার সংগা সহ হালকা ১০ লাইনের বর্ণনা দিতে হবে এখানে। Objective: যা করতে চান তা এখানে To the Point করে উল্লেখ করতে হবে। Previous Development: যা করতে চান সেই বিষয়ে আগে কেউ কার করে থাকলে সে কতদূর পর্যন্ত ছিড়তে পেরেছে ও কতজন করেছে তাদের কাজের ২-১ লাইন সহ হালকা বিবরণ। সাথে আপনার ১ লাইনের মন্তব্যও থাকতে পারে যে আপনি কেমনটি করবেন। Methods: কিভাবে করবেন? কত টাকা লাগতে পারে? কত সময় লাগতে পারে? কি কি ব্যবহার করবেন? কত ব্যাপ্তী নিয়ে করবেন? তার সম্ভাব্য ...

Professore ম্যানেজ ক্যাম্বাই করবাম?

  স্কলারশিপ নিয়ে বাইরে পড়তে যাবার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয় যদি কোন ইউনিভার্সিটির প্রফেসরের অনুমতি পত্র (Letter of Acceptance) পাওয়া যায়। ব্যাপারটি আকাশের অধরা উল্কাপিন্ডের মতো মনে হলেও একেবারে অসম্ভব নয়। নিচে ২ ভাগে বিষয়টির টিপস দেয়া হবে। তার আগে প্রফেসরদের ইমেইল Address কিভাবে যোগাড় করতে হবে তার ১টি লাইন লিখে দেই। কোন প্রফেসরের নাম+তার প্রতিষ্ঠানের নাম লিখে দিলেই Research Gate , Google Scholar কিংবা বিভিন্ন জার্নালে তাদের পেপারের লিস্ট চলে আসে। সেই পেপারগুলি ঘাঁটাঘাঁটি করে ওই জার্নাল বা ওয়েবসাইটে খোলা তাদের প্রোফাইল খুঁজে বের করে সেখান হতে ইমেইল নিয়ে নিতে হয়। :) প্রথমভাগে গণহারে প্রফেসরদেরকে কভার লেটার পাঠানোঃ প্রফেসর যেদেশে আছেন সেই দেশের সময় অনুযায়ী সকাল ৬টা বা ৭টার দিকে মেইল পাঠানো যেন তিনি সকাল ৮টা বা ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে বা ঘুম হতে উঠে চোখের সামনে পেয়ে যান। খুব সাবধান। একজনের কভার লেটার ( goo.gl/CQZYig ) অন্যজনকে পাঠানোর মতো সামান্য কারণে সুযোগ মিস হয়ে যেতে পারে.... যাকে পাঠাচ্ছেন তার বর্তমান করা গবেষণা কাজের সাথে মিল রেখে বা যে ধরনের গবেষণা তিনি বেশি বেশি করেছেন...

বিদেশী University খোঁজার সূত্র

  প্রথমেই আপনাকে হিসেব করতে হবে পরিবার ছেড়ে আপনি বাইরে যেতে প্রস্তুত কিনা? মনস্থির করে তারপর বসুন। খুঁজুন......... :) সূত্র ১ঃ নিজের দেশী শিক্ষকদের ধরুন বিশেষ করে যারা বৈদেশিক সনদপ্রাপ্ত। দিনরাত তৈল মর্দন করুন ও বলুন, স্যার আমি বিদেশে মাস্টার্স/পিএইচডি করতে যেতে চাই। কি কি করতে হবে একটু বলুন। মানুষ ভাল হলে নির্দেশনা চলে আসবে। যদিও ভাল মনের শিক্ষকদের হতে অতিরিক্ত কথা খরচ না করেই সবকিছু পাওয়া যায়। আমি যেমন পেয়েছিলাম ঢাবি হতে। নোবিপ্রবি হতে। :* :) সূত্র ২ঃ গুগলে বসুন। নিজের বিষয় কোন কোন ইউনিভার্সিটিতে আছে তা খুঁজুন। ধরুন আপনার বিষয়ের নাম “কদু সাইন্স”, এবিষয়ে বিশ্বে সেরা ৫টির মধ্যে ১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম “অ্যামাজন এগ্রি ইউনি-ভাঁড়-City”..... এখন সেই প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে যান। দেখুন শিক্ষক সংখ্যা কজন, প্রফেসর কজন.... বিদেশী ছাত্র আছে কিনা তাও দেখে নিতে পারেন যদি অ্যালামনাই লিস্ট দেয়া থাকে..... এরপর কোন প্রফেসরকে আপনার বিষয়ের সাথে মানানসই মনে হলে তাঁর মেইল আইডি ওয়েবসাইট হতে নিয়ে তাকে লিংকে ( goo.gl/QHMqki ) দেয়া উপায়ে যোগাযোগ করুন। তাঁকে জিগ্যেস করুন কোন স্কলারশিপের ব্যবস্থা আছে কিনা...

ধাপে ধাপে Scholarship আবেদন....

  নিচের ধাপগুলি ধাপে ধাপে অনুসরণ করে যেতে হতে ও মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে প্রতিটা শব্দ। (A) ধাপগুলি যথাঃ যোগ্যতা হয়েছে কিনা তার লিংকঃ ( এখানে ক্লিক করুন ) পাসপোর্ট বানানোর সহজ উপায়ঃ ( এখানে ক্লিক করুন ) বিভিন্ন স্কলারশিপ সম্পর্কে জানার লিংকঃ ( এখানে ক্লিক করুন ) নিজের বিষয় খোঁজার উপায়ঃ ( এখানে ক্লিক করুন ) আমার সাবজেক্ট এর স্কলারশিপ পাই না কেন IELTS বা GRE ছাড়াই স্কলারশিপ হয় নাকি? কোন দেশ কতদ্রূত গ্রীনকার্ড দেয়ঃ ( এখানে ক্লিক করুন ) বাইরে যাবার সিদ্ধান্ত নেবার চিন্তা ভাবনার লিংকঃ ( এখানে ক্লিক করুন ) IELTS, GRE, GMat, SAT, TOFEL ( এখানে ক্লিক করুন ) আবেদনের সময়ের লিংকঃ ( এখানে ক্লিক করুন ) প্রয়োজনীয় কাগজ তৈরির লিংকঃ ( এখানে ক্লিক করুন ) বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয় খোঁজার উপায়ঃ ( এখানে ক্লিক করুন ) বিদেশী প্রফেসরকে পটানোর টিপসঃ ( এখানে ক্লিক করুন ) কভার লেটার লেখার নিয়মঃ ( এখানে ক্লিক করুন ) রিসার্চ প্রপোজাল লেখার নিয়মঃ ( এখানে ক্লিক করুন ) বিদেশ যাবার খরচপাতির হিসাবঃ ( এখানে ক্লিক করুন ) বাইরে জবের সুযোগ কেমনঃ ( এখানে ক্লিক করুন ) বউকে বিদেশে নিয়ে যাবেন যেভাবে... (B...