Skip to main content

পোস্টার প্রেজেন্টেশনের সাজুগুজু

 এক পেজে সাজাতে হবে গবেষণার সমস্ত বিষয় সুতরাং প্রতিটা ইঞ্চি মেপে কনটেন্ট বসাতে হবে। সাজানোর খাতিরে নানা নান্দনিক ডিজাইন ইন্টারনেটে থাকলেও একটি পেজকে ৩ কলামে ভাগ করে তাতে নিচের সিরিয়াল মেনে চলা ভাল

  1. Introduction ২ লাইনের যেন লোকে পড়েই কাজের প্রতি অাগ্রহ পায়
  2. Methods চার্ট করে দিলে ভাল হয় কিন্তু অল্প লাইন লেখা যায়
  3. Results ছবি বেশি, ১-২ লাইনে ছবিতে কিআছে তার ব্যাখ্যা
  4. Discussion রেজাল্ট হতে আমরা কি পেলাম
  5. Conclusion না দিলেও চলে তবে ১ লাইনের বেশি নয় যে এটা নিয়ে ভবিষ্যতে কি করা যাবে
  6. Acknowledgement কাজটি করতে কে কে সহযোগীতা করেছে, ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান

পোস্টারের সবার উপরে টাইটেল, তার তলে লেখকদের নাম, প্রতিষ্ঠানের নাম বা বিষয়ের নাম ও পেজের একদম নিচে হালকা পাতলা প্রাতিষ্ঠানিক ঠিকানা ছোট সাইজে দেয়া যায়....

যে যে কারণে পোস্টার বাজে হয়ে যায় বা রিজেক্ট হয়ঃ

  1. Gray.
  2. Unrelenting gray.
  3. Unrelenting gray in the first place a person looks, the upper left corner.
  4. Although I dislike title bookends, at least these are large and graphic - almost a welcome reprieve from the rest of the poster.
  5. An abstract? Something so short does not need a summary.
  6. Lines dividing text instead of white space - a sure sign of desperation arising from trying to put too much in.

আর একটি পোস্টারের কোথায় কি থাকতে পারে তার ধারণা নিচের ছবি হতে পাওয়া যেতে পারেঃ

মনে রাখতে হবে অপ্রয়োজনীয় একটি লাইনও নয়, মাঝে মাঝে সেমি প্রয়োজনীয় লাইনও বাদ দেয়া লাগতে পারে....

কাজটা খুবই সহজ, না জানলে মহা বিপদ, পোস্টার প্রেজেন্টেশন কিভাবে করতে হয় তা জানার আগে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও পাওয়ার পয়েন্ট সম্পর্কে সম্যক জানকারি থাকতে হবে.....

ভিডিও টিউটোরিয়াল এখানেঃ (এখানে ক্লিক করুন)

সুন্দর করে সাজালে দর্শক বা অন্যান্য গবেষকদের ভাল রেসপন্স পাওয়া যায় :)

Comments

Popular posts from this blog

থিসিস (Thesis) লেখার ধাপ সমূহ

  সানি, এত ছোট থিসিস লেখলে হবে না, কমপক্ষে ৫০ পৃষ্ঠা তো করো.... দেশী সুপারভাইজরের মুখে এ কথা শুনে আমি চৌটানায় পড়ি.... পেপার লিখতে হলে যদি ৭-১১ পৃষ্ঠাতেই হয়ে যায় তবে সেই জিনিসের থিসিস কেন বড় করতে হবে বা এত এত এত লিখতে হবে..... মনে হচ্ছিলো জীবনটা থিসিস লিখতে লিখতেই বুড়ো হয়ে যাবে... তবে একথা সত্য যে কপিপেস্ট বিদ্যার জোরে আমাদের অনেকেই থিসিস ৭ দিনে সটান করে ফেলে.... পরে গবেষনাপত্র বা পেপার লিখবার সময় ধরা খায়। তবে থিসিস লেখবার ধাপ, নিয়ম ও কারুকার্য Research Methodology নামক কোর্সে পড়ানো হয়। তবে সব ডিপার্টমেন্টের সবাই তেমন সৌভাগ্যবান নাও হতে পারেন এই কোর্স পাবার..... হাহাহা.... আমরা গবেষণা চাই কিন্তু গবেষণা কি করে করতে, পড়তে, লিখতে, দেখাতে হয় তা শেখাই না.... জয় বাংলা !! আসুন বাংলাতে তা দেখে নেয়া যাক... Title শিরোনাম লেখার এক এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক এক ডিজাইন ব্যবহার করার হয়। বড়ভাইয়ের থিসিস দেখে কপি মারুন। শেষ। Declaration এখানে আপনি লেখবেন যে এই থিসিস করতে গিয়ে আপনি কোন চুরি করেননি ও কপি করেন নি কাউকে, পরিশ্রম করেছেন.... হালকা নিজের ঢোল পিটিয়ে নিচে সই করুন। এখানে আপনি লেখবেন যে এই থি...

জার্নালের ফী কত করে?

মন দিয়ে পড়তে হবে। ছকটি খেয়াল করে দেখি। জার্নালা দু প্রকারঃ ভাল জার্নাল নিম্নমানের জার্নাল ভাল জার্নাল ৪ প্রকারঃ উচ্চ Q1 মধ্য Q2 মোটামুটি Q3 চলে Q4 এখন প্রতিটা Q1, Q2, Q3 ও Q4 এর ধরণ ভেদে দুটি সুবিধা রয়েছেঃ Open Access মানে হলো পুরো পেপারটা ডাউনলোড করা যায়। Close Access মানে হলো খালি এবস্ট্রাক্ট/অনেক ক্ষেত্রে এটাও দেখতে দেয়না। শুধু শিরোনাম দেখায়। পুরো পেপার নিতে হলে ডলার দেয়া লাগে। বা চুরি করা লাগে। আর এই সবগুলির-ই ছবিতে দেয়া সবকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। অর্থাৎ ভাল জার্নালেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। খারাপেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। আর এদের মধ্যেঃ C1 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C2 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C3 ছাপানো ফ্রী কিন্তু পুরো পেপার দেখা যায় না। C4 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নাল এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে। C5 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নালগুলি এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে যারা পাবলিকেশন চার্জ নেয় না কিন্তু রঙিন ছবি বা গ...

ইন্টার্নশিপ ভাল নাকি থিসিস বা প্রজেক্ট?

  ওসাম দেশের ওসাম নিয়ম। চাকরী করতে গেলে অভিজ্ঞতা লাগবে কোন প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা ও পাশ করবার কাঠামো টা তেমন করে গড়া হয় নি তাহলে এক্সপেরিয়েন্স সনদ কি নাযিল হবে আসমান হতে? যে কোন বিষয়ের সিলেবাসটা একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে বছরের পর বছর একই বিষয়ের পড়াশুনো বারবার রিপিট করা হচ্ছে সিলেবাস বড় করবার জন্য অথচ কত নতুন বিষয় বাদ পড়ে যাচ্ছে। সেম শিট দিয়ে টার্মের পর টার্ম কাজ চালানো হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ের... এভাবেই একই গরুর বিভিন্ন নাম দিয়ে কোর্স রিপিটেশন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা হচ্ছে কিন্তু নতুন বিষয় বা সম্ভাবনাগুলি জানছে না কেউ। যেমন কেউ আমাকে মেরিন ইকোলজি ও মেরিন বায়লজির মধ্যে পার্থক্য দেখাতে পারবেন যে এই এই কারণে এই দুটি টপিককে অালাদা ৩ ক্রেডিটের বিষয়রুপে পড়ানো উচিত ও তাতে এই এই ফায়দা হবে.... যেখানে রিমোট সেন্সিং ও ডাটা প্রসেসিং এর একটি ইন্টার্নশিপ ঢুকিয়ে দিলেই কতই না ফায়দা হবে... ব্যবহারিক শিক্ষা + ওই প্রতিষ্ঠান হতে ৬ মাস কাজ করেছে তার সনদ। হয়ে গেল অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট। যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন বিষয়েই এই কাজ করা সম্ভব। ছাত্রছাত্রীরা চয়েজ করবে যে তারা ইন্ট...