Skip to main content

বিদেশ গমনের খরচাপাতি....

 কত টেহা লাগবো বাইয়া..... বাইরে যাবার আগেই যে প্রশ্নটা প্রায় সকলের মনে চলে আসে। বিদেশে যেতে আসলে টাকা লাগে না যদি যথাপোযুক্ত যোগ্যতা থাকে। যোগ্যতা যত কম টাকা তত বেশি লাগবে। তাই নিচের পয়েন্টগুলি নোট করে নেই আসুন। প্রথমেইঃ

  1. পাসপোর্ট বানাতে লাগে লাগে ৩০০০ টাকা (১ মাসে) বা ৬০০০ টাকা (৭ দিনে)
  2. ভিসার খরচ দেশ ভেদে ভিন্ন যেমন চায়নার জন্য স্টুডেন্ট ভিসা ৫৬০০ টাকা (১ দিনে) বা ৩৪৫০ টাকা (৭ দিনে)
  3. মেডিকেল সনদ শূন্য টাকা হতে ৫ হাজার বা তারও বেশি।
  4. কাগজপত্র বিদেশে পাঠাতে ৭০০০ টাকার মতো
  5. পুলিশ ভেরিফিকেশন ৫০০ টাকার মতো
  6. প্লেন টিকিট দেশ অনুযায়ী যেমন ঢাকা-চায়না ৩০ হাজার হতে ৮০ হাজার টাকার মতো

কিছু বাড়তি খরচঃ

  1. IELTS, GRE বা TOFEL কোচিং খরচ ১০ হাজার টাকা ও মূল পরীক্ষা ১৫-২০ হাজার টাকা।
  2. বিদেশে আসিবার সময় হাতে করিয়া ৫০ হাজার টাকা ব্যাকাপ আনা
  3. কোন কোন দেশ ব্যাংক সলভেন্সী চাহিয়া বসে তখন ব্যাংকে কিছু পরিমান (০ টাকা হতে -১২ লক্ষ) টাকা দেখাতে হয়।
  4. বিদেশী আবহাওয়া অনুযায়ী হালকা পোষাক-কসমেটিকস কেনাকাটা (ধরুন ১০ হাজার)
  5. বিদেশে যাইয়া ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য ৫০০০ টাকা বার তারও হালকা বেশি লাগা
  6. বিদেশে গিয়ে বাসা ভাড়া নেয়া বা হল ফ্রি পেলে তার সিকিউরিটি মানি.....
  7. খানাপিনার মাসিক খরচ বড়দের হতে শুনে নেয়া (যেমন চায়নাতে অনুমানিক মাসিক ৬ হাজার বাংলাদেশী টাকা আর ওখানকান ৫০০ আরেমবি)
  8. কোন এজেন্সী ধরে এই পুরো কাজগুলি করালে বাড়তি ১-২ লক্ষ টাকা দেয়া। যার কোন প্রয়োজন দেখিনা।

তবে স্কলারশিপ পেলে তো কথাই নেই। অনেক খরচ কমে যাবে। কিছু কিছু স্কলারশিপ সব খরচ ফেরত দেয় ওই দেশে পৌছানোর পর। যেমনঃ China Scholarship Council -CSC

তাই সব জেনে ক্যালকুলেটর নিয়ে নিজের চাহিদা মতো বাড়তি খরচগুলিতে কমিয়ে বাড়িয়ে দাম বসিয়ে হিসেব করে নিন কত টাকা লাগতে পারে। ভাইয়া, যোগ-বিয়োগটা তো আপনিও করে দিতে পারতেন। অলস মানুষগুলিকে অনিচ্ছাতেও কর্মঠ বানানোর চেষ্টা। ভাত কিভাবে রাঁধতে হয় তা দেখিয়ে দিলাম। প্রতিদিন রেঁধে মাখিয়ে খাওয়া আপনার কাজ। সব কথা শেষ হবার পর বাঙালীর শেষ প্রশ্নঃ

ভাইয়া আপনার কতো লাগছিলো? উত্তরঃ আমার নিজের কোন টাকা খরচ হয় নি। O:)

Comments

Popular posts from this blog

থিসিস (Thesis) লেখার ধাপ সমূহ

  সানি, এত ছোট থিসিস লেখলে হবে না, কমপক্ষে ৫০ পৃষ্ঠা তো করো.... দেশী সুপারভাইজরের মুখে এ কথা শুনে আমি চৌটানায় পড়ি.... পেপার লিখতে হলে যদি ৭-১১ পৃষ্ঠাতেই হয়ে যায় তবে সেই জিনিসের থিসিস কেন বড় করতে হবে বা এত এত এত লিখতে হবে..... মনে হচ্ছিলো জীবনটা থিসিস লিখতে লিখতেই বুড়ো হয়ে যাবে... তবে একথা সত্য যে কপিপেস্ট বিদ্যার জোরে আমাদের অনেকেই থিসিস ৭ দিনে সটান করে ফেলে.... পরে গবেষনাপত্র বা পেপার লিখবার সময় ধরা খায়। তবে থিসিস লেখবার ধাপ, নিয়ম ও কারুকার্য Research Methodology নামক কোর্সে পড়ানো হয়। তবে সব ডিপার্টমেন্টের সবাই তেমন সৌভাগ্যবান নাও হতে পারেন এই কোর্স পাবার..... হাহাহা.... আমরা গবেষণা চাই কিন্তু গবেষণা কি করে করতে, পড়তে, লিখতে, দেখাতে হয় তা শেখাই না.... জয় বাংলা !! আসুন বাংলাতে তা দেখে নেয়া যাক... Title শিরোনাম লেখার এক এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক এক ডিজাইন ব্যবহার করার হয়। বড়ভাইয়ের থিসিস দেখে কপি মারুন। শেষ। Declaration এখানে আপনি লেখবেন যে এই থিসিস করতে গিয়ে আপনি কোন চুরি করেননি ও কপি করেন নি কাউকে, পরিশ্রম করেছেন.... হালকা নিজের ঢোল পিটিয়ে নিচে সই করুন। এখানে আপনি লেখবেন যে এই থি...

জার্নালের ফী কত করে?

মন দিয়ে পড়তে হবে। ছকটি খেয়াল করে দেখি। জার্নালা দু প্রকারঃ ভাল জার্নাল নিম্নমানের জার্নাল ভাল জার্নাল ৪ প্রকারঃ উচ্চ Q1 মধ্য Q2 মোটামুটি Q3 চলে Q4 এখন প্রতিটা Q1, Q2, Q3 ও Q4 এর ধরণ ভেদে দুটি সুবিধা রয়েছেঃ Open Access মানে হলো পুরো পেপারটা ডাউনলোড করা যায়। Close Access মানে হলো খালি এবস্ট্রাক্ট/অনেক ক্ষেত্রে এটাও দেখতে দেয়না। শুধু শিরোনাম দেখায়। পুরো পেপার নিতে হলে ডলার দেয়া লাগে। বা চুরি করা লাগে। আর এই সবগুলির-ই ছবিতে দেয়া সবকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। অর্থাৎ ভাল জার্নালেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। খারাপেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। আর এদের মধ্যেঃ C1 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C2 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C3 ছাপানো ফ্রী কিন্তু পুরো পেপার দেখা যায় না। C4 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নাল এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে। C5 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নালগুলি এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে যারা পাবলিকেশন চার্জ নেয় না কিন্তু রঙিন ছবি বা গ...

ইন্টার্নশিপ ভাল নাকি থিসিস বা প্রজেক্ট?

  ওসাম দেশের ওসাম নিয়ম। চাকরী করতে গেলে অভিজ্ঞতা লাগবে কোন প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা ও পাশ করবার কাঠামো টা তেমন করে গড়া হয় নি তাহলে এক্সপেরিয়েন্স সনদ কি নাযিল হবে আসমান হতে? যে কোন বিষয়ের সিলেবাসটা একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে বছরের পর বছর একই বিষয়ের পড়াশুনো বারবার রিপিট করা হচ্ছে সিলেবাস বড় করবার জন্য অথচ কত নতুন বিষয় বাদ পড়ে যাচ্ছে। সেম শিট দিয়ে টার্মের পর টার্ম কাজ চালানো হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ের... এভাবেই একই গরুর বিভিন্ন নাম দিয়ে কোর্স রিপিটেশন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা হচ্ছে কিন্তু নতুন বিষয় বা সম্ভাবনাগুলি জানছে না কেউ। যেমন কেউ আমাকে মেরিন ইকোলজি ও মেরিন বায়লজির মধ্যে পার্থক্য দেখাতে পারবেন যে এই এই কারণে এই দুটি টপিককে অালাদা ৩ ক্রেডিটের বিষয়রুপে পড়ানো উচিত ও তাতে এই এই ফায়দা হবে.... যেখানে রিমোট সেন্সিং ও ডাটা প্রসেসিং এর একটি ইন্টার্নশিপ ঢুকিয়ে দিলেই কতই না ফায়দা হবে... ব্যবহারিক শিক্ষা + ওই প্রতিষ্ঠান হতে ৬ মাস কাজ করেছে তার সনদ। হয়ে গেল অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট। যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন বিষয়েই এই কাজ করা সম্ভব। ছাত্রছাত্রীরা চয়েজ করবে যে তারা ইন্ট...