Skip to main content

চীনে পড়তে আসবার সবকিছু

 

চীনের আসবার চিন্তা করবার প্রথমেই নিচের বিষয়গুলি জেনে নেইঃ

  1. চীনের সার্টিফিকেটের দাম কেমনঃ (এখানে ক্লিক করুন)
  2. চীনে পড়ার লাভ-ক্ষতিঃ (এখানে ক্লিক করুন)
  3. চীনা স্কলারশিপগুলির লিংকঃ (এখানে ক্লিক করুন)
  4. চীনে সেশনজট কেমনঃ (এখানে ক্লিক করুন)
  5. চীনের নামী স্কলারশিপটিঃ (এখানে ক্লিক করুন)
  6. লোকাল চীনা স্কলারশিপঃ (এখানে ক্লিক করুন)
  7. বিশ্ববিদ্যালয় স্কলারশিপঃ (এখানে ক্লিক করুন)
  8. এজেন্ট এর মাধ্যমে আসবার সতর্কতা সমূহঃ (এখানে ক্লিক করুন)

এখন এখান হতে শুরু করি কাজঃ

২০১৮ এর সার্কুলারঃ goo.gl/oXRxTz

CGS নিয়ে প্রশ্ন উত্তর- https://goo.gl/mBHkGJ

চায়না গভমেন্ট স্কলারশিপে আবেদনের পদ্ধতি (first step)-https://goo.gl/mEd5R5

চায়না গভমেন্ট স্কলারশিপের খরচপাতি-https://goo.gl/EzVDoj

চীন এ যাওয়ার আগে ও পরে কিছু টিপস-https://goo.gl/4vvtVl

স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফর্মঃ -https://goo.gl/NdJ1rN

বিশ্ববিদ্যালয় খোঁজার নিয়ম-https://goo.gl/hAzRi4

CSC স্কলারশিপ এ আবেদন করার নিয়ম-https://goo.gl/uwrwkn

About Chinese Academy of Sciences (CAS)-https://goo.gl/rkQjzO

About changing subject/major-https://goo.gl/Ye4K14

বাংলাদেশ থেকে যা যা নিয়ে আসলে ভাল হয়-https://goo.gl/1OS8jl

চায়নাতে আসতে হলে যা জরুরী-https://goo.gl/xHNv17

চীনে CSC ব্যতীত অন্যান্য স্কলারশীপ-https://goo.gl/YRZrhB

চীন থেকে বলছি (১)-https://goo.gl/4V6bEW

চীন থেকে বলছি (2)-https://goo.gl/Z4uzcd

চায়না এবং Part Time Work -https://goo.gl/MJ4MLd

অন্যান্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ লিংকঃ

Application Process for 2017- goo.gl/fnVdLK

Chinese govt. Scholarship Application process video(2016)- goo.gl/4YcHW1

Procedures for Confucius Institute Scholarship(2016)- https://goo.gl/OD93oY

লিংকগুলি পড়তে হলে এই গ্রূপে জয়েন করতে হবে Association of Chinese Government Scholarship from BANGLADESH

হয়েছে? পড়েছেন? তাহলে এখন লাইক, কমেন্ট, শেয়ার কর ঘুমিয়ে পড়েন। বেশি ঘুম পেলে এগুলোও করা লাগবেনা। তার আগেই...............

আমরা দেখি, লাইক দেই, মজা নেই...... কিন্তু শিখি না... এই সেই ফেসবুক।

Comments

Popular posts from this blog

থিসিস (Thesis) লেখার ধাপ সমূহ

  সানি, এত ছোট থিসিস লেখলে হবে না, কমপক্ষে ৫০ পৃষ্ঠা তো করো.... দেশী সুপারভাইজরের মুখে এ কথা শুনে আমি চৌটানায় পড়ি.... পেপার লিখতে হলে যদি ৭-১১ পৃষ্ঠাতেই হয়ে যায় তবে সেই জিনিসের থিসিস কেন বড় করতে হবে বা এত এত এত লিখতে হবে..... মনে হচ্ছিলো জীবনটা থিসিস লিখতে লিখতেই বুড়ো হয়ে যাবে... তবে একথা সত্য যে কপিপেস্ট বিদ্যার জোরে আমাদের অনেকেই থিসিস ৭ দিনে সটান করে ফেলে.... পরে গবেষনাপত্র বা পেপার লিখবার সময় ধরা খায়। তবে থিসিস লেখবার ধাপ, নিয়ম ও কারুকার্য Research Methodology নামক কোর্সে পড়ানো হয়। তবে সব ডিপার্টমেন্টের সবাই তেমন সৌভাগ্যবান নাও হতে পারেন এই কোর্স পাবার..... হাহাহা.... আমরা গবেষণা চাই কিন্তু গবেষণা কি করে করতে, পড়তে, লিখতে, দেখাতে হয় তা শেখাই না.... জয় বাংলা !! আসুন বাংলাতে তা দেখে নেয়া যাক... Title শিরোনাম লেখার এক এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক এক ডিজাইন ব্যবহার করার হয়। বড়ভাইয়ের থিসিস দেখে কপি মারুন। শেষ। Declaration এখানে আপনি লেখবেন যে এই থিসিস করতে গিয়ে আপনি কোন চুরি করেননি ও কপি করেন নি কাউকে, পরিশ্রম করেছেন.... হালকা নিজের ঢোল পিটিয়ে নিচে সই করুন। এখানে আপনি লেখবেন যে এই থি...

জার্নালের ফী কত করে?

মন দিয়ে পড়তে হবে। ছকটি খেয়াল করে দেখি। জার্নালা দু প্রকারঃ ভাল জার্নাল নিম্নমানের জার্নাল ভাল জার্নাল ৪ প্রকারঃ উচ্চ Q1 মধ্য Q2 মোটামুটি Q3 চলে Q4 এখন প্রতিটা Q1, Q2, Q3 ও Q4 এর ধরণ ভেদে দুটি সুবিধা রয়েছেঃ Open Access মানে হলো পুরো পেপারটা ডাউনলোড করা যায়। Close Access মানে হলো খালি এবস্ট্রাক্ট/অনেক ক্ষেত্রে এটাও দেখতে দেয়না। শুধু শিরোনাম দেখায়। পুরো পেপার নিতে হলে ডলার দেয়া লাগে। বা চুরি করা লাগে। আর এই সবগুলির-ই ছবিতে দেয়া সবকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। অর্থাৎ ভাল জার্নালেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। খারাপেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। আর এদের মধ্যেঃ C1 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C2 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C3 ছাপানো ফ্রী কিন্তু পুরো পেপার দেখা যায় না। C4 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নাল এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে। C5 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নালগুলি এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে যারা পাবলিকেশন চার্জ নেয় না কিন্তু রঙিন ছবি বা গ...

ইন্টার্নশিপ ভাল নাকি থিসিস বা প্রজেক্ট?

  ওসাম দেশের ওসাম নিয়ম। চাকরী করতে গেলে অভিজ্ঞতা লাগবে কোন প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা ও পাশ করবার কাঠামো টা তেমন করে গড়া হয় নি তাহলে এক্সপেরিয়েন্স সনদ কি নাযিল হবে আসমান হতে? যে কোন বিষয়ের সিলেবাসটা একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে বছরের পর বছর একই বিষয়ের পড়াশুনো বারবার রিপিট করা হচ্ছে সিলেবাস বড় করবার জন্য অথচ কত নতুন বিষয় বাদ পড়ে যাচ্ছে। সেম শিট দিয়ে টার্মের পর টার্ম কাজ চালানো হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ের... এভাবেই একই গরুর বিভিন্ন নাম দিয়ে কোর্স রিপিটেশন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা হচ্ছে কিন্তু নতুন বিষয় বা সম্ভাবনাগুলি জানছে না কেউ। যেমন কেউ আমাকে মেরিন ইকোলজি ও মেরিন বায়লজির মধ্যে পার্থক্য দেখাতে পারবেন যে এই এই কারণে এই দুটি টপিককে অালাদা ৩ ক্রেডিটের বিষয়রুপে পড়ানো উচিত ও তাতে এই এই ফায়দা হবে.... যেখানে রিমোট সেন্সিং ও ডাটা প্রসেসিং এর একটি ইন্টার্নশিপ ঢুকিয়ে দিলেই কতই না ফায়দা হবে... ব্যবহারিক শিক্ষা + ওই প্রতিষ্ঠান হতে ৬ মাস কাজ করেছে তার সনদ। হয়ে গেল অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট। যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন বিষয়েই এই কাজ করা সম্ভব। ছাত্রছাত্রীরা চয়েজ করবে যে তারা ইন্ট...