Skip to main content

বিদেশে আবার ডাবল মাস্টার্স করবাম ক্যারে?

 হজ কথা হলো যার যত যোগ্যতা বেশি এবং যার যত কপাল ভাল এবং যে যত সুন্দর করে English দিয়ে প্রফেসর পটাতে পারেন তার স্কলারশিপ খুব দ্রূত হয়। কিন্তু PhD তে ৩-৫ বছরের জন্য টানা স্কলারশিপ পাওয়া বেশ কপালের ব্যাপার। যোগ্যতারও। :)

কিন্তু এক হতে দেড় বছরের অনেক ভাল মানের টাকাসমৃদ্ধ স্কলারশিপ পাওয়া যায় হর হামেশা গুগলে একটু সার্চ করলেই । তাই সহজে স্কলারশিপ পাবার জন্য অনেকেই দেশে মাস্টার্স করবার পরও সহজে কম সময়ে স্কলারশিপ পাবার জন্য তারা বিদেশে আবারও Masters করবার জন্য ছুটে চলে যান। যাদের বিদেশ খুব টানে.................. হাহাহা।

তাছাড়া বিদেশে আসবার পর ভাল মানের টাকাপয়সা ও সুযোগ সুবিধা-ওয়ালা পিএইচডি লিংক খুঁজে বের করা সহজ হয়। কেন যেন আমাদের অধিকাংশ শিক্ষিত গ্রাজুয়েটগণ দেশে থাকতে এক ওসাম অলসতায় তা বের করতে পারেন না বরং বসে থেকে ডিম পেড়ে সময় নষ্ট করে। যে ডিম তারা বেচতেও পারেনা অযোগ্যের দলীয় সুপারিশের ঠেলায়.....

  • Erusmus Mundus, Europe.
  • AIT Masters program, Thailand
  • MIS Scholarship, Malaysia
  • CSC Scholarship, China
  • Australian Government Scholarship
  • ADB Japan Bangladesh masters program
  • DAAD scholarship, Germany
  • SI scholarship, Sweden
  • Finland Masters program, Finland
  • KGSP masters program, South Korea
  • British Chevening Scholarship, UK
  • ANZU Scholarship, Newzland
  • MEXT scholarship for Masters, Japan

নামগুলি কপি করে গুগলে দিলেই সব বিস্তারিত দেখিয়ে দেবে। এগুলি বেশ ভাল মানের টাকাপয়সা ওয়ালা Masters program. Only need 6.5 in IELTS. ৬.৫ হালকা প্রিপারেশন নিয়ে বসলেই হয়ে যায়। আর ১২-১৬ বছর ধরে ইংরেজি পড়ে ৬.৫ ও পাবেন না? এটা ভাবার আগেই মরে যাওয়া উচিত........ -_-

এমনকি কোন নামি স্কলারশিপ না পেলেও বিদেশের যেকোন ইউনিভার্সিটির নিজস্ব স্কলারশিপও পাওয়া যায় যেগুলির মেয়াদ ১ বছর বলে অনেকে তা এড়িয়ে চলে কিন্তু মাস্টার্সদের জন্য এগুলি লোভনীয় হবার কথা ছিল। মাঝে মাঝে ভাল রেজাল্ট করলে তারা স্কলারশিপের মেয়াদ বাড়িয়েও দেয়।

সারাবিশ্বে মাস্টার্সের ১ বছর মেয়াদী স্কলারশিপ পাওয়াটা তুলনামূলক সহজ ও কম সময়ের মধ্যে মিলে যায়। ফলে দেড় বা ২ বছরের মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য অনেকেই এসব নিয়ে চলে আসেন ও নিজ দক্ষতা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় হতে বা প্রফেসরকে কাজ দেখিয়ে খুশি করে তার প্রজেক্ট হতে টাকা বের করে আনে। ;) বাঙালীরা চাইলেই পারে কিন্তু চেষ্টা করে না। ভয় পায়। জুজুর ভয়।

যাদের কনফিডেন্স নেই তারা এসবের কথা চিন্তা করতেও ভয় পায় আর বাংলাদেশী সামাজীকীকরণ অনুযায়ী আমাদের মেরুদন্ড ও সাহস ছোটবেলা হতেই একটু একটু করে ভেঙে দেয়া হয়। তাই লোকে রিস্ক নেয় না, সরকারী চাকুরীর মতো সেটেলমেন্ট খুঁজে খুঁজে জীবনের মহামূল্যবান সময়গুলি নষ্ট করে ফেলে।

তবুও............... জয় বাংলা। :)

বিদ্রঃ দেখুন বাঙালী পারেনা এমন কিছু পাইনি এখনও। এরা ওরা তারা যেহেতেু পারছে আপনিও পারবেন। একটু কষ্ট করে বসে পড়ুন। খুঁজতে...... :)

Comments

Popular posts from this blog

থিসিস (Thesis) লেখার ধাপ সমূহ

  সানি, এত ছোট থিসিস লেখলে হবে না, কমপক্ষে ৫০ পৃষ্ঠা তো করো.... দেশী সুপারভাইজরের মুখে এ কথা শুনে আমি চৌটানায় পড়ি.... পেপার লিখতে হলে যদি ৭-১১ পৃষ্ঠাতেই হয়ে যায় তবে সেই জিনিসের থিসিস কেন বড় করতে হবে বা এত এত এত লিখতে হবে..... মনে হচ্ছিলো জীবনটা থিসিস লিখতে লিখতেই বুড়ো হয়ে যাবে... তবে একথা সত্য যে কপিপেস্ট বিদ্যার জোরে আমাদের অনেকেই থিসিস ৭ দিনে সটান করে ফেলে.... পরে গবেষনাপত্র বা পেপার লিখবার সময় ধরা খায়। তবে থিসিস লেখবার ধাপ, নিয়ম ও কারুকার্য Research Methodology নামক কোর্সে পড়ানো হয়। তবে সব ডিপার্টমেন্টের সবাই তেমন সৌভাগ্যবান নাও হতে পারেন এই কোর্স পাবার..... হাহাহা.... আমরা গবেষণা চাই কিন্তু গবেষণা কি করে করতে, পড়তে, লিখতে, দেখাতে হয় তা শেখাই না.... জয় বাংলা !! আসুন বাংলাতে তা দেখে নেয়া যাক... Title শিরোনাম লেখার এক এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক এক ডিজাইন ব্যবহার করার হয়। বড়ভাইয়ের থিসিস দেখে কপি মারুন। শেষ। Declaration এখানে আপনি লেখবেন যে এই থিসিস করতে গিয়ে আপনি কোন চুরি করেননি ও কপি করেন নি কাউকে, পরিশ্রম করেছেন.... হালকা নিজের ঢোল পিটিয়ে নিচে সই করুন। এখানে আপনি লেখবেন যে এই থি...

জার্নালের ফী কত করে?

মন দিয়ে পড়তে হবে। ছকটি খেয়াল করে দেখি। জার্নালা দু প্রকারঃ ভাল জার্নাল নিম্নমানের জার্নাল ভাল জার্নাল ৪ প্রকারঃ উচ্চ Q1 মধ্য Q2 মোটামুটি Q3 চলে Q4 এখন প্রতিটা Q1, Q2, Q3 ও Q4 এর ধরণ ভেদে দুটি সুবিধা রয়েছেঃ Open Access মানে হলো পুরো পেপারটা ডাউনলোড করা যায়। Close Access মানে হলো খালি এবস্ট্রাক্ট/অনেক ক্ষেত্রে এটাও দেখতে দেয়না। শুধু শিরোনাম দেখায়। পুরো পেপার নিতে হলে ডলার দেয়া লাগে। বা চুরি করা লাগে। আর এই সবগুলির-ই ছবিতে দেয়া সবকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। অর্থাৎ ভাল জার্নালেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। খারাপেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। আর এদের মধ্যেঃ C1 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C2 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C3 ছাপানো ফ্রী কিন্তু পুরো পেপার দেখা যায় না। C4 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নাল এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে। C5 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নালগুলি এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে যারা পাবলিকেশন চার্জ নেয় না কিন্তু রঙিন ছবি বা গ...

ইন্টার্নশিপ ভাল নাকি থিসিস বা প্রজেক্ট?

  ওসাম দেশের ওসাম নিয়ম। চাকরী করতে গেলে অভিজ্ঞতা লাগবে কোন প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা ও পাশ করবার কাঠামো টা তেমন করে গড়া হয় নি তাহলে এক্সপেরিয়েন্স সনদ কি নাযিল হবে আসমান হতে? যে কোন বিষয়ের সিলেবাসটা একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে বছরের পর বছর একই বিষয়ের পড়াশুনো বারবার রিপিট করা হচ্ছে সিলেবাস বড় করবার জন্য অথচ কত নতুন বিষয় বাদ পড়ে যাচ্ছে। সেম শিট দিয়ে টার্মের পর টার্ম কাজ চালানো হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ের... এভাবেই একই গরুর বিভিন্ন নাম দিয়ে কোর্স রিপিটেশন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা হচ্ছে কিন্তু নতুন বিষয় বা সম্ভাবনাগুলি জানছে না কেউ। যেমন কেউ আমাকে মেরিন ইকোলজি ও মেরিন বায়লজির মধ্যে পার্থক্য দেখাতে পারবেন যে এই এই কারণে এই দুটি টপিককে অালাদা ৩ ক্রেডিটের বিষয়রুপে পড়ানো উচিত ও তাতে এই এই ফায়দা হবে.... যেখানে রিমোট সেন্সিং ও ডাটা প্রসেসিং এর একটি ইন্টার্নশিপ ঢুকিয়ে দিলেই কতই না ফায়দা হবে... ব্যবহারিক শিক্ষা + ওই প্রতিষ্ঠান হতে ৬ মাস কাজ করেছে তার সনদ। হয়ে গেল অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট। যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন বিষয়েই এই কাজ করা সম্ভব। ছাত্রছাত্রীরা চয়েজ করবে যে তারা ইন্ট...