মজা লাগে না কথাটা শুনে যে চীনেও কী সেশনজট আছে? না নেই... এদের স্নাতক ৪র্থ বছরের প্রথম টার্ম শুরু হয় একটি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যার প্রিপারেশন ওরা ৩য় বর্ষের শেষ ১ মাস ভ্যাকেশনে নেয়....
এই পরীক্ষাতে যারা পাশ করে তাদের একমাস পরেই ভাইভা নেয়া হয়। সেখানে পাশ করলে তারা যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দমতো নিজস্ব বিষয়ে (প্রফেসর রাজি থাকা সাপেক্ষে) মাস্টার্সে ভর্তি হতে পারে স্নাতক শেষ করবার সাথে সাথেই....
মানে এবছর সেপ্টেম্বরে পরীক্ষা হবে পরের বছর জুলাইতে স্নাতক শেষ করেই অাগস্ট বন্ধ সেপ্টেম্বর হতে স্নাতকোত্তর শুরু..... ওরা মাস্টার্সের শেষ ৬ মাসে জব খোঁজে, থিসিস লেখে বা পিএইচডির জন্য প্রিপারেশন নেয়.....
আর আমার এখনও মনে আছে ২০০৮ এ ইন্টারপাশ আমি ২০০৯ এর জুলাইতে শুরু করি স্নাতক... ও ৪ বছরের স্নাতক-কে ২০১৩ এর শেষ দিকে ফাইনাল পরীক্ষার মাধ্যমে শেষ করে ২০১৪ তে পাশ করি আর বিচিলর সার্টিফিকেট পাই ২০১২ এর..... হাহাহা..... মানে কাগজে কলমে কোন সেশনজট নেই.... সেই ২০১৪ তেই মাস্টার্স ভর্তি পরীক্ষা দেই যার ২ মাস পরে ভর্তি ও দেড় বছরের মাস্টার্স পাশ করি ২০১৬ সালের প্রথম দিকে আর তারই মাঝামাঝিতে চীনে স্কলারশীপ পাই.... আর এক মাস পর পিএইচডির শেষ বর্ষে পা দিতে যাচ্ছি, আলহামদুলিল্লাহ..... সাল ২০১৮। দোয়া করবেন আমার জন্য। :)
জয় বাংলা.....
আপনার পরবর্তী জেনারেশন কোন পরিবেশে কোন শিক্ষাব্যবস্থায় বড় হবে তার সিদ্ধান্ত একান্তই আপনার হাতে.... দিন থাকতে শুরু করুন... প্রস্তুতি.... আবেদন.... যার যেখানে খুশি...... :)
Comments
Post a Comment