Skip to main content

ভাইয়া, Key নিয়ে গবেষণা করমো?

 আরে কিরে আজিব, অাপনি/তুমি/তুই কি নিয়ে গবেষণা করবেন তা আমি কেমতে কইতাম? তবে হ্যাঁ! কিভাবে সোনার দেশে গবেষণার বিষয় চয়েজ করতে হবে তা নিয়ে কিছু নিয়ম ( টিপস বললে পাপ হবে কারণ টিপসে চয়েজের বিষয় থাকে, নিয়মে থাকে না ) বলাই যায় :)

মন কি চায়ঃ

মন একটি আজব বস্তু তবে সেটাকে হালকা কনসিডার করা যায়। আপনার বিষয়ে কোন টপিকটা বেশি ভাল লাগে। কোন টপিকে কাজ করলে বিষয়টা ওসাম হয়ে যায় তা দেখেশুনে পৃথিবী বুঝে চয়েজ করা ও মনের এক কোনায় রেখে দেয়া। ধরা গেল মন, মন কলার সাথে গোলাপ ফুলের বিক্রিয়া করাতে চায়.....

বিশ্ববিদ্যালয়ের হেডমঃ

দেখতে হবে নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ ডিপার্টমেন্টে কি কি যন্ত্রপাতি ও সুযোগসুবিধা আছে, তা ব্যবহারের অনুমতি আছে কিনা ;) ও অন্য ডিপার্টমেন্টে কি কি আছে. তা ব্যবহারের পারমিশন পাওয়া যাবে কিনা :D নিজে যা করতে চাচ্ছি তার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি পাওয়া যাবে কিনা.... তার লিস্ট করতে হবে... ধরা যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে কলার সাথে বেদানার বিক্রিয়া দেখবার সিস্টেম আছে...

শিক্ষকদের মনোবাসনা ও সিভিঃ

যে শিক্ষকের অধীনে গবেষণা করবার ইচ্ছা তার পূর্ব গবেষণাতে কি কি রয়েছে, কি নিয়ে কাজ করতে তিনি পছন্দ করেন, এখন কি নিয়ে কাজ করছেন, কি কি করানোর ক্ষমতা তিনি রাখেন.... বা নিজে যে বিষয় নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছি তা উনি পারবেন কিনা অখবা নিজের বিয়য়ে পারদর্শী কোন শিক্ষক আছেন কিনা... :) দেখা গেল তোমার শিক্ষক কলা নয়, তরমুজের সাথে লালশাকের বিক্রিয়া করাতে জানেন...

সিনিওরদের কারশিমাঃ

নিজ ডিপার্টমেন্টের পূর্বের ব্যাচের বড় ব্রো-পুরা কি কি নিয়ে কর্মসাধন করেছে। তার লিস্ট ধৈর্য নিয়ে পড়তে হবে ও দেখতে হবে নিজের পছন্দের টপিকে কেউ কিছু করেছে কিনা... মনে রাখতে হবে তারা যা করেছে তা ই শিক্ষক+বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান/পূর্বক্ষমতা :) ধরা গেল এক বড়েমিয়া লেবুর পাতার সাথে ধনিয়ার বিক্রিয়া দেখেছিলেন....

দেশীয় গবেষণাগারঃ

দেখুন লিংকাপ থাকলে দেশের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে কাজ করা যায় যেমন আমি নিজেই যবিপ্রবিতে কাজ করেছিলা। ওদের হলে ছিলাম ১ মাস.... :) তাই একটু খোঁজ খবর নিন, গবেষণাগারগুলিতে যান, সুপারভাইজরের রিকমেন্ডেশন নিয়ে... কাজ হবে। :) দেখা গেল আপনি কলার সাথে করল্লার বিক্রিয়া দেখার মেশিন পেয়ে গেছ....

এখন যখন এতকিছু আপনার জানা হয়ে যাবে তখন এই সব লিস্ট মিলিয়ে কোন কাজটি আপনি আপনার কোর্স হতে দেয়া নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে পারবেন তা ধরে নিয়ে বুঝেশুনে আগাবেন... (যদিও গবেষণার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয়া যে কত বড় বুদ্ধিমত্তা তা আমার মাথায় আজও আসেনি.... :( >:( )

হলো ? এতকিছু জানা হয়ে গেলেও যদি তারপরও মনে কনফিউশন চুলকায় তবেই ইনবক্সে নক করিবেন.... হয়তো কিছু ডিসিশনের হিসাবের যোগ বিয়োগে সাহায্য করা যেতে পারে.... কলা নাকি করল্লা, বেদানা নাকি লালশাক, তরমুজ নাকি লেবু ..... :D 3:)

তবে গেবন আপনার... তাকে কিভাবে উঠাবেন/মারাবেন তা আপনার বিষয় তাই নিজের চয়েজকেই বেশি প্রাধান্য দিবেন অন্য সকল মহাপুরুষ হতে উপদেশ পাবার পরও.... মনে রাখবেন পরকে দোষ দিয়ে কিছুদিন ভাল থাকা যায় কিন্তু জীবনে কষ্ট করতে হবে আপনাকেই, উপদেশীককে নয়.... তাই ভুল করুন, ঠিক করুন, নিজগুণে/দোষে করুন... স্বান্তনা থাকিবে... :)

জয় বাংলা :)

Comments

Popular posts from this blog

থিসিস (Thesis) লেখার ধাপ সমূহ

  সানি, এত ছোট থিসিস লেখলে হবে না, কমপক্ষে ৫০ পৃষ্ঠা তো করো.... দেশী সুপারভাইজরের মুখে এ কথা শুনে আমি চৌটানায় পড়ি.... পেপার লিখতে হলে যদি ৭-১১ পৃষ্ঠাতেই হয়ে যায় তবে সেই জিনিসের থিসিস কেন বড় করতে হবে বা এত এত এত লিখতে হবে..... মনে হচ্ছিলো জীবনটা থিসিস লিখতে লিখতেই বুড়ো হয়ে যাবে... তবে একথা সত্য যে কপিপেস্ট বিদ্যার জোরে আমাদের অনেকেই থিসিস ৭ দিনে সটান করে ফেলে.... পরে গবেষনাপত্র বা পেপার লিখবার সময় ধরা খায়। তবে থিসিস লেখবার ধাপ, নিয়ম ও কারুকার্য Research Methodology নামক কোর্সে পড়ানো হয়। তবে সব ডিপার্টমেন্টের সবাই তেমন সৌভাগ্যবান নাও হতে পারেন এই কোর্স পাবার..... হাহাহা.... আমরা গবেষণা চাই কিন্তু গবেষণা কি করে করতে, পড়তে, লিখতে, দেখাতে হয় তা শেখাই না.... জয় বাংলা !! আসুন বাংলাতে তা দেখে নেয়া যাক... Title শিরোনাম লেখার এক এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক এক ডিজাইন ব্যবহার করার হয়। বড়ভাইয়ের থিসিস দেখে কপি মারুন। শেষ। Declaration এখানে আপনি লেখবেন যে এই থিসিস করতে গিয়ে আপনি কোন চুরি করেননি ও কপি করেন নি কাউকে, পরিশ্রম করেছেন.... হালকা নিজের ঢোল পিটিয়ে নিচে সই করুন। এখানে আপনি লেখবেন যে এই থি...

জার্নালের ফী কত করে?

মন দিয়ে পড়তে হবে। ছকটি খেয়াল করে দেখি। জার্নালা দু প্রকারঃ ভাল জার্নাল নিম্নমানের জার্নাল ভাল জার্নাল ৪ প্রকারঃ উচ্চ Q1 মধ্য Q2 মোটামুটি Q3 চলে Q4 এখন প্রতিটা Q1, Q2, Q3 ও Q4 এর ধরণ ভেদে দুটি সুবিধা রয়েছেঃ Open Access মানে হলো পুরো পেপারটা ডাউনলোড করা যায়। Close Access মানে হলো খালি এবস্ট্রাক্ট/অনেক ক্ষেত্রে এটাও দেখতে দেয়না। শুধু শিরোনাম দেখায়। পুরো পেপার নিতে হলে ডলার দেয়া লাগে। বা চুরি করা লাগে। আর এই সবগুলির-ই ছবিতে দেয়া সবকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। অর্থাৎ ভাল জার্নালেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। খারাপেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। আর এদের মধ্যেঃ C1 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C2 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C3 ছাপানো ফ্রী কিন্তু পুরো পেপার দেখা যায় না। C4 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নাল এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে। C5 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নালগুলি এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে যারা পাবলিকেশন চার্জ নেয় না কিন্তু রঙিন ছবি বা গ...

ইন্টার্নশিপ ভাল নাকি থিসিস বা প্রজেক্ট?

  ওসাম দেশের ওসাম নিয়ম। চাকরী করতে গেলে অভিজ্ঞতা লাগবে কোন প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা ও পাশ করবার কাঠামো টা তেমন করে গড়া হয় নি তাহলে এক্সপেরিয়েন্স সনদ কি নাযিল হবে আসমান হতে? যে কোন বিষয়ের সিলেবাসটা একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে বছরের পর বছর একই বিষয়ের পড়াশুনো বারবার রিপিট করা হচ্ছে সিলেবাস বড় করবার জন্য অথচ কত নতুন বিষয় বাদ পড়ে যাচ্ছে। সেম শিট দিয়ে টার্মের পর টার্ম কাজ চালানো হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ের... এভাবেই একই গরুর বিভিন্ন নাম দিয়ে কোর্স রিপিটেশন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা হচ্ছে কিন্তু নতুন বিষয় বা সম্ভাবনাগুলি জানছে না কেউ। যেমন কেউ আমাকে মেরিন ইকোলজি ও মেরিন বায়লজির মধ্যে পার্থক্য দেখাতে পারবেন যে এই এই কারণে এই দুটি টপিককে অালাদা ৩ ক্রেডিটের বিষয়রুপে পড়ানো উচিত ও তাতে এই এই ফায়দা হবে.... যেখানে রিমোট সেন্সিং ও ডাটা প্রসেসিং এর একটি ইন্টার্নশিপ ঢুকিয়ে দিলেই কতই না ফায়দা হবে... ব্যবহারিক শিক্ষা + ওই প্রতিষ্ঠান হতে ৬ মাস কাজ করেছে তার সনদ। হয়ে গেল অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট। যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন বিষয়েই এই কাজ করা সম্ভব। ছাত্রছাত্রীরা চয়েজ করবে যে তারা ইন্ট...