Skip to main content

চীনে পড়ে কি Love?

 কোন লাভ নাইরে ভাই.... সেকেন্ড ওয়াল্ড একটা.... ফাস্ট ওয়াল্ডও হতে পারে নি..... এর চেয়ে GRE করে USA, IELTS করে UK, TOFEL করে AUS বা মন-বুকা-গাসু পেয়ে Japan এ গেলে টাকাই টাকা..... তবে ঘটনা কি জানেন.....

১) চায়না ভাষা শিখলে এখানে ভাল টাকার বৃত্তি পাওয়া যায়.... অনার্সে অনেকে এখানে এসে ১ বছরের চাইনিজ ভাষার কোর্স করে বৃত্তি পাবার পর..... (উদাহরণঃ Mahedi) অনেকে এসে শিখে বৃত্তি পায় অনার্সে.....

২) মাস্টার্সে যদি বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজীতে পড়ানোর ক্ষমতা রাখে তো ছক্কা.... তেমন চাইনিজ শেখা লাগবে না, খালি প্রফেসর ম্যানেজ করে এসেই গেবন চালাতে পারবেন..... উদাহরণঃ MD Razibur Rahman

৩) তবে বিভিন্ন মানের স্কলারশিপের ওপর টাকার মান নির্ভর করে..... তা তাদের ওয়েব সাইটে পেয়ে যাবেন টাকার পরিমান সহ..... (লিংকঃ goo.gl/zs74jM )

৪) চায়নাতে সব পাবেন, জিনিসপাতি, অল্প টাকায়, মান সম্মত.... জীবনের কিছু শখ হয়তো মিটাতে পারবেন অল্প টাকায় ;) (রেফারেন্সঃ http://www.taobao.com/)

৫) লাইফ স্টাইল এর কথা বলা যাবে না কারণ এটা যার যার উপর নির্ভর করে, মনে রাখতে হবে ঢেকি স্বর্গে গেলে রকেট হয়ে যায় না....কেউ ধর্মকে আরও আঁকড়ে ধরে আর কেউ হয়ে পড়ে মাদকাসক্ত...

৬) নিজেকে জানতে পারবেন, জ্ঞান বাড়বে, আমি কি পারতাম, কী কী পারার সম্ভাবনা ছিল, দেশের বিশ্বদরবারে কী অবস্থা, মিডিয়ার সব নিউজই কি সত্যি নাকি, সব দেখতে ও বুঝতে পারবেন..... (না বুঝতে পারলেও চীনা জীবনের মার খেয়ে বুঝতে বাধ্য হবেন)

৭) নতুন নতুন রাস্তা নিজেই বের করতে পারবেন যার জন্য আপনি আগে একটা সময় সিনিওর, সমাজ, শিক্ষক, দেশ, সরকার ও সমুদ্রের ঢেউয়ের দিকে চেয়ে থাকতেন.....

৮) এমন একটি জায়গাতে এসে পড়বেন যেখানে বেশিরভাগই নাস্তিক ও মদের দাম কম ফলে আপনি নিজের ধর্মকে ভালভাবে বুঝতে পারবেন (যদি চান) ও সত্য কি তা ধরতে পারবেন বা পূর্বের ভয়গুলি কেটে যাবে.... সারভাইভাল ক্ষমতা বাড়বে..... (বখেও যেতে পারেন, সস্তায় বাঙালীর কি যে হয়.... :( )

৯) অাত্মসম্মান কাকে বলে তার সঠিক সংগা জানবেন..... কোনটা রাগ করার মতো , কোনটা সিলি ম্যাটার তা বোঝার ক্ষমতা বাড়বে..... আন্তর্জাতিক নাগরিক হবার দিকে আগাবেন ধীরে ধীরে.....

১০) চায়নাতে সব ফেইক কথাটার ভুল ভাঙবে যা দেখে আপনি নিজেই অবাক, হতবাক, নির্বাক, হীনবাক হয়ে যাবেন....

এর সাথে বিদেশে একলা থাকার স্বাধীনতা ও নিজের কাজে কেউ নাক না গলাবেনা ভেবে শান্তি পাওয়া যাবে। যদিও এগুলি অন্য দেশেও বিদ্যমান ;) মেবি................

উপরের ছবিটা দেখে নেই একটু। এবার আসল কথা কমু এখন, আমাদের দেশের অনার্সকে অনেক দেশে ডিপ্লোমা ও মাস্টার্স কে অন্যদেশের অনার্সের সমান ধরে (রেফারেন্সঃ goo.gl/kpgswt ) ফলে দেখা যায় দেশী মাস্টার্স থাকার পরও অনেকেই ডাবল মাস্টার্স করছেন অন্যান্য উন্নত দেশে কিন্তু চায়না সেখানে একটা গেটওয়ে..... এখানে পড়লে কোন বাপের (জাতিসংঘের) বেটা নেই যে বলবে, “ ) ফলে দেখা যায় দেশী মাস্টার্স থাকার পরও অনেকেই ডাবল মাস্টার্স করছেন অন্যান্য উন্নত দেশে কিন্তু চায়না সেখানে একটা গেটওয়ে..... এখানে পড়লে কোন বাপের (জাতিসংঘের) বেটা নেই যে বলবে, “চায়না ডিগ্রী, ফেইক ডিগ্রী” :D

(যদিও বাংলাদেশের অনেকের মুখেই চায়নাতে আসবার জন্য ছ্যা ছ্যা শুনেছি.... -_- ) হাহাহা

মজার ব্যাপার হলো কিছুদিন আগে আমার সুপারভাইজর তার মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের জন্য Cambrige Univesity এর একটি স্কলারশিপের WeChat পোস্ট দিয়ে নিচে লিখেছেন, এই শিক্ষক আমার ছাত্র, কেউ যেতে চাইলে আমাকে বলো..... :O (অর্থাৎ নতুন সুযোগের কোন শেষ নেই)

........................... কেন যে পিএইচডির ছাত্র হলুম রে.... :(

Comments

Popular posts from this blog

থিসিস (Thesis) লেখার ধাপ সমূহ

  সানি, এত ছোট থিসিস লেখলে হবে না, কমপক্ষে ৫০ পৃষ্ঠা তো করো.... দেশী সুপারভাইজরের মুখে এ কথা শুনে আমি চৌটানায় পড়ি.... পেপার লিখতে হলে যদি ৭-১১ পৃষ্ঠাতেই হয়ে যায় তবে সেই জিনিসের থিসিস কেন বড় করতে হবে বা এত এত এত লিখতে হবে..... মনে হচ্ছিলো জীবনটা থিসিস লিখতে লিখতেই বুড়ো হয়ে যাবে... তবে একথা সত্য যে কপিপেস্ট বিদ্যার জোরে আমাদের অনেকেই থিসিস ৭ দিনে সটান করে ফেলে.... পরে গবেষনাপত্র বা পেপার লিখবার সময় ধরা খায়। তবে থিসিস লেখবার ধাপ, নিয়ম ও কারুকার্য Research Methodology নামক কোর্সে পড়ানো হয়। তবে সব ডিপার্টমেন্টের সবাই তেমন সৌভাগ্যবান নাও হতে পারেন এই কোর্স পাবার..... হাহাহা.... আমরা গবেষণা চাই কিন্তু গবেষণা কি করে করতে, পড়তে, লিখতে, দেখাতে হয় তা শেখাই না.... জয় বাংলা !! আসুন বাংলাতে তা দেখে নেয়া যাক... Title শিরোনাম লেখার এক এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক এক ডিজাইন ব্যবহার করার হয়। বড়ভাইয়ের থিসিস দেখে কপি মারুন। শেষ। Declaration এখানে আপনি লেখবেন যে এই থিসিস করতে গিয়ে আপনি কোন চুরি করেননি ও কপি করেন নি কাউকে, পরিশ্রম করেছেন.... হালকা নিজের ঢোল পিটিয়ে নিচে সই করুন। এখানে আপনি লেখবেন যে এই থি...

জার্নালের ফী কত করে?

মন দিয়ে পড়তে হবে। ছকটি খেয়াল করে দেখি। জার্নালা দু প্রকারঃ ভাল জার্নাল নিম্নমানের জার্নাল ভাল জার্নাল ৪ প্রকারঃ উচ্চ Q1 মধ্য Q2 মোটামুটি Q3 চলে Q4 এখন প্রতিটা Q1, Q2, Q3 ও Q4 এর ধরণ ভেদে দুটি সুবিধা রয়েছেঃ Open Access মানে হলো পুরো পেপারটা ডাউনলোড করা যায়। Close Access মানে হলো খালি এবস্ট্রাক্ট/অনেক ক্ষেত্রে এটাও দেখতে দেয়না। শুধু শিরোনাম দেখায়। পুরো পেপার নিতে হলে ডলার দেয়া লাগে। বা চুরি করা লাগে। আর এই সবগুলির-ই ছবিতে দেয়া সবকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। অর্থাৎ ভাল জার্নালেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। খারাপেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। আর এদের মধ্যেঃ C1 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C2 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C3 ছাপানো ফ্রী কিন্তু পুরো পেপার দেখা যায় না। C4 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নাল এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে। C5 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নালগুলি এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে যারা পাবলিকেশন চার্জ নেয় না কিন্তু রঙিন ছবি বা গ...

ইন্টার্নশিপ ভাল নাকি থিসিস বা প্রজেক্ট?

  ওসাম দেশের ওসাম নিয়ম। চাকরী করতে গেলে অভিজ্ঞতা লাগবে কোন প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা ও পাশ করবার কাঠামো টা তেমন করে গড়া হয় নি তাহলে এক্সপেরিয়েন্স সনদ কি নাযিল হবে আসমান হতে? যে কোন বিষয়ের সিলেবাসটা একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে বছরের পর বছর একই বিষয়ের পড়াশুনো বারবার রিপিট করা হচ্ছে সিলেবাস বড় করবার জন্য অথচ কত নতুন বিষয় বাদ পড়ে যাচ্ছে। সেম শিট দিয়ে টার্মের পর টার্ম কাজ চালানো হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ের... এভাবেই একই গরুর বিভিন্ন নাম দিয়ে কোর্স রিপিটেশন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা হচ্ছে কিন্তু নতুন বিষয় বা সম্ভাবনাগুলি জানছে না কেউ। যেমন কেউ আমাকে মেরিন ইকোলজি ও মেরিন বায়লজির মধ্যে পার্থক্য দেখাতে পারবেন যে এই এই কারণে এই দুটি টপিককে অালাদা ৩ ক্রেডিটের বিষয়রুপে পড়ানো উচিত ও তাতে এই এই ফায়দা হবে.... যেখানে রিমোট সেন্সিং ও ডাটা প্রসেসিং এর একটি ইন্টার্নশিপ ঢুকিয়ে দিলেই কতই না ফায়দা হবে... ব্যবহারিক শিক্ষা + ওই প্রতিষ্ঠান হতে ৬ মাস কাজ করেছে তার সনদ। হয়ে গেল অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট। যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন বিষয়েই এই কাজ করা সম্ভব। ছাত্রছাত্রীরা চয়েজ করবে যে তারা ইন্ট...