Skip to main content

ODV কালার ম্যাপিং

 ধরুন আপনি পৃথিবীর একটি স্থানের কয়েকটি জায়গাতে (stations) কিছু পরিমাপ করলেন। (যেমন পানির pH, salainity, DO, CO2, BOD, Temperature ইত্যাদি) আপনি চাচ্ছেন তা মানচিত্র প্রদর্শন করবেন। তাহলে প্রথমে আপনাকে এই লিংক ( goo.gl/aNifyp ) হতে সফটওয়ারটি নামিয়ে নিতে হবে।

ধরুন আপনার ডাটার নমুনা চিত্র এগুলিঃ

এখানে স্টেশন মানে বাস বা রেল স্টেশন নয়। ডাটা নেবার জায়গা।

আপনি pH গুলি দেখাতে চাচ্ছেন যে কোন এলাকায় কেমন pH। এবার মাইক্রোসফট এক্সেল এর আপনার ডাটাগুলি লিপিবদ্ধ করুন।অবশ্যই অক্ষাংশ দ্রাঘিমাংশকে দশমিকে রুপান্তর করে নিতে হবে এভাবেঃ

যেভাবে দেয়া আছে সেভাবেই লিখতে হবে। একচুল এদিক ওদিক করা যাবে না।

Bottom depth ও layer depth না থাকলে সেখানে শূন্যদিয়ে ভরাবেন এরপর এই পেজটিকে এক্সেলের save as এ গিয়ে ph.text ফরম্যাটে ফাইলটি সেভ করুন একটি ফোল্ডারে। তারপর ODV সফটওয়ার ওপেন করে উপরের দিকের File ট্যাবে চেপে open প্রেস করলে একটা ছোট উইন্ডো আসবে

সেখানে ph.text টা খুজে সিলেক্ট করে দিলে তা সফটওয়ারে দেখাবে।

এখন সফটওয়ারের উপরের দিকের View ট্যাব চেপে তাতে Layout Templates চেপে Surface Window চাপ

দিলেই মূল ছবি দেখাবে মাঝে।

সেই ছবির উপর রাইট বাটন ক্লিক করে Propertise এ গিয়ে Data ট্যাবে ঢুকে X axis এ Longitude, Y axis এ Latitude, Z এ pH সিলেক্ট করতে হবে।

এরপর Display Style এ গিয়ে Griddded Field এর আন্ডারে DIVA Gridding সিলেক্ট করে OK চাপ

দিলেই নিচে আপনার ছবি দেখিয়ে দেবে.....

Fig 1: pH distribution in Naf river

এটাকে সেভ করবার জন্য ছবির ওপর রাইট বাটন চেপে Save plot as চাপলে একটা উইন্ডো আসবে যেখানে পছন্দ মতো ফরম্যাটে সেভ কার যায়। ছবির জন্য PNG ফরম্যাটই ভাল।

তারপর ফোল্ডারটিতে গিয়ে দেখুন ছবি এসে গেছে। ওটাকে এবার আপনার পছন্দমতো ব্যবহার করুন। এধরনের পোস্ট গবেষক ছাড়া সাধারণ মানুষের বোঝা ভার। তাই শেয়ার করতে বললে না জেনে শুনে শেয়ারের মতো হবে ব্যাপারটা। যদিও শেয়ারের খুব প্রয়োজন।

Comments

Popular posts from this blog

থিসিস (Thesis) লেখার ধাপ সমূহ

  সানি, এত ছোট থিসিস লেখলে হবে না, কমপক্ষে ৫০ পৃষ্ঠা তো করো.... দেশী সুপারভাইজরের মুখে এ কথা শুনে আমি চৌটানায় পড়ি.... পেপার লিখতে হলে যদি ৭-১১ পৃষ্ঠাতেই হয়ে যায় তবে সেই জিনিসের থিসিস কেন বড় করতে হবে বা এত এত এত লিখতে হবে..... মনে হচ্ছিলো জীবনটা থিসিস লিখতে লিখতেই বুড়ো হয়ে যাবে... তবে একথা সত্য যে কপিপেস্ট বিদ্যার জোরে আমাদের অনেকেই থিসিস ৭ দিনে সটান করে ফেলে.... পরে গবেষনাপত্র বা পেপার লিখবার সময় ধরা খায়। তবে থিসিস লেখবার ধাপ, নিয়ম ও কারুকার্য Research Methodology নামক কোর্সে পড়ানো হয়। তবে সব ডিপার্টমেন্টের সবাই তেমন সৌভাগ্যবান নাও হতে পারেন এই কোর্স পাবার..... হাহাহা.... আমরা গবেষণা চাই কিন্তু গবেষণা কি করে করতে, পড়তে, লিখতে, দেখাতে হয় তা শেখাই না.... জয় বাংলা !! আসুন বাংলাতে তা দেখে নেয়া যাক... Title শিরোনাম লেখার এক এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক এক ডিজাইন ব্যবহার করার হয়। বড়ভাইয়ের থিসিস দেখে কপি মারুন। শেষ। Declaration এখানে আপনি লেখবেন যে এই থিসিস করতে গিয়ে আপনি কোন চুরি করেননি ও কপি করেন নি কাউকে, পরিশ্রম করেছেন.... হালকা নিজের ঢোল পিটিয়ে নিচে সই করুন। এখানে আপনি লেখবেন যে এই থি...

জার্নালের ফী কত করে?

মন দিয়ে পড়তে হবে। ছকটি খেয়াল করে দেখি। জার্নালা দু প্রকারঃ ভাল জার্নাল নিম্নমানের জার্নাল ভাল জার্নাল ৪ প্রকারঃ উচ্চ Q1 মধ্য Q2 মোটামুটি Q3 চলে Q4 এখন প্রতিটা Q1, Q2, Q3 ও Q4 এর ধরণ ভেদে দুটি সুবিধা রয়েছেঃ Open Access মানে হলো পুরো পেপারটা ডাউনলোড করা যায়। Close Access মানে হলো খালি এবস্ট্রাক্ট/অনেক ক্ষেত্রে এটাও দেখতে দেয়না। শুধু শিরোনাম দেখায়। পুরো পেপার নিতে হলে ডলার দেয়া লাগে। বা চুরি করা লাগে। আর এই সবগুলির-ই ছবিতে দেয়া সবকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। অর্থাৎ ভাল জার্নালেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। খারাপেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। আর এদের মধ্যেঃ C1 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C2 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C3 ছাপানো ফ্রী কিন্তু পুরো পেপার দেখা যায় না। C4 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নাল এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে। C5 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নালগুলি এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে যারা পাবলিকেশন চার্জ নেয় না কিন্তু রঙিন ছবি বা গ...

ইন্টার্নশিপ ভাল নাকি থিসিস বা প্রজেক্ট?

  ওসাম দেশের ওসাম নিয়ম। চাকরী করতে গেলে অভিজ্ঞতা লাগবে কোন প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা ও পাশ করবার কাঠামো টা তেমন করে গড়া হয় নি তাহলে এক্সপেরিয়েন্স সনদ কি নাযিল হবে আসমান হতে? যে কোন বিষয়ের সিলেবাসটা একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে বছরের পর বছর একই বিষয়ের পড়াশুনো বারবার রিপিট করা হচ্ছে সিলেবাস বড় করবার জন্য অথচ কত নতুন বিষয় বাদ পড়ে যাচ্ছে। সেম শিট দিয়ে টার্মের পর টার্ম কাজ চালানো হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ের... এভাবেই একই গরুর বিভিন্ন নাম দিয়ে কোর্স রিপিটেশন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা হচ্ছে কিন্তু নতুন বিষয় বা সম্ভাবনাগুলি জানছে না কেউ। যেমন কেউ আমাকে মেরিন ইকোলজি ও মেরিন বায়লজির মধ্যে পার্থক্য দেখাতে পারবেন যে এই এই কারণে এই দুটি টপিককে অালাদা ৩ ক্রেডিটের বিষয়রুপে পড়ানো উচিত ও তাতে এই এই ফায়দা হবে.... যেখানে রিমোট সেন্সিং ও ডাটা প্রসেসিং এর একটি ইন্টার্নশিপ ঢুকিয়ে দিলেই কতই না ফায়দা হবে... ব্যবহারিক শিক্ষা + ওই প্রতিষ্ঠান হতে ৬ মাস কাজ করেছে তার সনদ। হয়ে গেল অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট। যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন বিষয়েই এই কাজ করা সম্ভব। ছাত্রছাত্রীরা চয়েজ করবে যে তারা ইন্ট...