Skip to main content

Plagiarism বা গবেষকের চুরি-দারী

 গবেষণা পত্র বা এসাইনমেন্ট লেখবার সময় একজন ছাত্রের কমন প্রাকটিস হলো ইন্টারনেট হতে কপিপেস্ট করে কোন রকমে কাজ শেষ করে জমা দেয়া। এই লেখাটি তাদের জন্য না। আপনি যখন কোন লেখা লিখবেন তার ভেতরে ৭০% এরও বেশি থাকতে হবে নিজস্বতা ভাল মানের গবেষক হবার জন্য। অনেক বিদেশী জার্নাল ১০% ও যদি কপি-পেস্ট ধরতে পারে রিজেক্ট করে দেয় পেপার। তাই সাবধান।

আপনার গবেষণা পত্রটি জার্নালে দেবার আগে নিচের লিংটিতে দেয়া যেকোন একটি ফ্রি সফটওয়ার দিয়ে প্লাগিয়ারিজম ধরুন ও শব্দগুলিকে হালকা চেন্জ করে একই অর্থের অন্য কোন মানানসই শব্দ ব্যবহার করুন।

লিংকঃ https://elearningindustry.com/top-10-free-plagiarism-detection-tools-for-teachers

ঘটনা একটি উদাহরণ দিয়ে বোঝানো যাক। ধরেন আপনি লিখলেনঃ

  • আমি তোমাকে ভালবাসি

এখন এই লাইনটা “ভালবাসার টুনটুনি” বইতে হুবাহু আছে বলে সফটওয়ারে দেখাচ্ছে। তাহলে আপনাকে এই কথাটাকে অর্থ একই রকম রেখে পরিবর্তন করতে হবে। যেমনঃ

  • ভালবাসি তোমাকে।
  • তোমাকে ভাল না বেসে থাকতে পারিনা।
  • একজনকেই ভালবাসি; সে তুমি।
  • তোমাকে ভালবাসি আমি।
  • আমি ভালবাসি, তোমাকে।
  • আমি ভাল তোমাকে বাসি

মজা করিয়া লিখলাম। তবে ইংরেজি গ্রামার মানিয়া ট্রান্স-ফরমেশন অফ সেনটেন্স (লিংক এখানে) পড়িয়া নিন। তাহলেই বুঝিবেন যে.......

এখন নিচের চিত্রে দেখুনঃ

চিত্রের হলুদ মার্কিংকে মূল্য দিতে হবে বেশি যে এই লাইনগুলি চিত্রের ডান পাশের কলামে লিপিবদ্ধ জায়গাগুলিতে পেয়েছে তারা। তাই লাইনগুলিকে ট্রান্সফর্ম করতে হবে যের এই ৩৮% কমে ১০% এর নিচে নেমে চলে আসে। সাধারণত কোন বাক্যে তিনটা শব্দ পাশাপাশি একই সিমিলারিটি ধরলে তাকে গুরুত্ব না দিলেও চলবে তবে ৪ বা আরও বেশি শব্দের ক্রমিক একই হলে তা পরিবর্তন করতে হবে। কাজটি হালকা কঠিন তবে করতে করতে করতে করতে করতে অভিজ্ঞতা হয়ে গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে। ;)

সফটওয়ারগুলি ফ্রি তবে অনলিমিটেড না। সাইন আপ করে হয়তো মাসে ১০০০-২০০০ শব্দ বা ১০ পৃষ্ঠা চেক করতে পারবেন। তবে টাকা দিয়ে কিনলে কোটি কোটি শব্দের ডকুমেন্ট চেক করা যায়।

সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ের উচিত প্রতি বছর কিনে গবেষকদের মধ্যে পাসওয়ার্ড দিয়ে দেয়া যেন তারা কোয়ালিটিপূর্ণ গবেষণাপত্র খুব সহজেই ও দ্রূত লিখতে পারে।

না দিলে এভাবে জোড়াতালি দিয়ে কাজ চালান। আর কি..................... :) আমি এনও শুনেছি কোন কোন দেশে কোন কোন প্রফেসর সামান্য এসাইনমেন্টে প্লাগিয়ারিজম পেলে মার্ক ও গ্রেড কমিয়ে দেয়। তাই যারা বিদেশে পড়তে যাবেন বলে ভাবছেন, সাধু সাবধান। সেখানে দেশী মেথড লাগালেই কিন্তু......... -_-

Comments

Popular posts from this blog

থিসিস (Thesis) লেখার ধাপ সমূহ

  সানি, এত ছোট থিসিস লেখলে হবে না, কমপক্ষে ৫০ পৃষ্ঠা তো করো.... দেশী সুপারভাইজরের মুখে এ কথা শুনে আমি চৌটানায় পড়ি.... পেপার লিখতে হলে যদি ৭-১১ পৃষ্ঠাতেই হয়ে যায় তবে সেই জিনিসের থিসিস কেন বড় করতে হবে বা এত এত এত লিখতে হবে..... মনে হচ্ছিলো জীবনটা থিসিস লিখতে লিখতেই বুড়ো হয়ে যাবে... তবে একথা সত্য যে কপিপেস্ট বিদ্যার জোরে আমাদের অনেকেই থিসিস ৭ দিনে সটান করে ফেলে.... পরে গবেষনাপত্র বা পেপার লিখবার সময় ধরা খায়। তবে থিসিস লেখবার ধাপ, নিয়ম ও কারুকার্য Research Methodology নামক কোর্সে পড়ানো হয়। তবে সব ডিপার্টমেন্টের সবাই তেমন সৌভাগ্যবান নাও হতে পারেন এই কোর্স পাবার..... হাহাহা.... আমরা গবেষণা চাই কিন্তু গবেষণা কি করে করতে, পড়তে, লিখতে, দেখাতে হয় তা শেখাই না.... জয় বাংলা !! আসুন বাংলাতে তা দেখে নেয়া যাক... Title শিরোনাম লেখার এক এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক এক ডিজাইন ব্যবহার করার হয়। বড়ভাইয়ের থিসিস দেখে কপি মারুন। শেষ। Declaration এখানে আপনি লেখবেন যে এই থিসিস করতে গিয়ে আপনি কোন চুরি করেননি ও কপি করেন নি কাউকে, পরিশ্রম করেছেন.... হালকা নিজের ঢোল পিটিয়ে নিচে সই করুন। এখানে আপনি লেখবেন যে এই থি...

জার্নালের ফী কত করে?

মন দিয়ে পড়তে হবে। ছকটি খেয়াল করে দেখি। জার্নালা দু প্রকারঃ ভাল জার্নাল নিম্নমানের জার্নাল ভাল জার্নাল ৪ প্রকারঃ উচ্চ Q1 মধ্য Q2 মোটামুটি Q3 চলে Q4 এখন প্রতিটা Q1, Q2, Q3 ও Q4 এর ধরণ ভেদে দুটি সুবিধা রয়েছেঃ Open Access মানে হলো পুরো পেপারটা ডাউনলোড করা যায়। Close Access মানে হলো খালি এবস্ট্রাক্ট/অনেক ক্ষেত্রে এটাও দেখতে দেয়না। শুধু শিরোনাম দেখায়। পুরো পেপার নিতে হলে ডলার দেয়া লাগে। বা চুরি করা লাগে। আর এই সবগুলির-ই ছবিতে দেয়া সবকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। অর্থাৎ ভাল জার্নালেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। খারাপেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। আর এদের মধ্যেঃ C1 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C2 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C3 ছাপানো ফ্রী কিন্তু পুরো পেপার দেখা যায় না। C4 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নাল এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে। C5 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নালগুলি এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে যারা পাবলিকেশন চার্জ নেয় না কিন্তু রঙিন ছবি বা গ...

ইন্টার্নশিপ ভাল নাকি থিসিস বা প্রজেক্ট?

  ওসাম দেশের ওসাম নিয়ম। চাকরী করতে গেলে অভিজ্ঞতা লাগবে কোন প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা ও পাশ করবার কাঠামো টা তেমন করে গড়া হয় নি তাহলে এক্সপেরিয়েন্স সনদ কি নাযিল হবে আসমান হতে? যে কোন বিষয়ের সিলেবাসটা একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে বছরের পর বছর একই বিষয়ের পড়াশুনো বারবার রিপিট করা হচ্ছে সিলেবাস বড় করবার জন্য অথচ কত নতুন বিষয় বাদ পড়ে যাচ্ছে। সেম শিট দিয়ে টার্মের পর টার্ম কাজ চালানো হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ের... এভাবেই একই গরুর বিভিন্ন নাম দিয়ে কোর্স রিপিটেশন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা হচ্ছে কিন্তু নতুন বিষয় বা সম্ভাবনাগুলি জানছে না কেউ। যেমন কেউ আমাকে মেরিন ইকোলজি ও মেরিন বায়লজির মধ্যে পার্থক্য দেখাতে পারবেন যে এই এই কারণে এই দুটি টপিককে অালাদা ৩ ক্রেডিটের বিষয়রুপে পড়ানো উচিত ও তাতে এই এই ফায়দা হবে.... যেখানে রিমোট সেন্সিং ও ডাটা প্রসেসিং এর একটি ইন্টার্নশিপ ঢুকিয়ে দিলেই কতই না ফায়দা হবে... ব্যবহারিক শিক্ষা + ওই প্রতিষ্ঠান হতে ৬ মাস কাজ করেছে তার সনদ। হয়ে গেল অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট। যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন বিষয়েই এই কাজ করা সম্ভব। ছাত্রছাত্রীরা চয়েজ করবে যে তারা ইন্ট...