Skip to main content

গবেষণা প্রস্তাব (Research Proposal) কেরুম হপে?

 দেশ হতে বিদেশে পড়তে গেলে অন্য সকল ডকুমেন্ট এর সাথে গবেষণা প্রস্তাব বা Research Proposal বা Study Plan দিতে হয় সুপারভাইজরকে যেন তিনি সহজেই আপনার জ্ঞানের পরিধী ও কর্ম দক্ষতা হিসেব করে ফেলতে পারে। বাড়াবাড়ি কিছু লেখা যাবে না। তাহলে শুরু করা যাকঃ

প্রথমে পৃষ্টার উপরে Research Proposal বা Study Plan লিখবেন। বোল্ড করে। তারপর শুরু হবেঃ

Research Title: একলাইনে গবেষণার বিষয়টি লিখে ফেলতে হবে যেন তা সহজেই বোধগম্য হয়। কঠিন শব্দ ব্যবহার করে খামাখা বিষয়কে জটিল না করাই শ্রেয়। এতে অনেকে বিরক্ত হন।

Introduction: কি করতে চান, কোথায় করতে চান, কেন করতে চান তার সংগা সহ হালকা ১০ লাইনের বর্ণনা দিতে হবে এখানে।

Objective: যা করতে চান তা এখানে To the Point করে উল্লেখ করতে হবে।

Previous Development: যা করতে চান সেই বিষয়ে আগে কেউ কার করে থাকলে সে কতদূর পর্যন্ত ছিড়তে পেরেছে ও কতজন করেছে তাদের কাজের ২-১ লাইন সহ হালকা বিবরণ। সাথে আপনার ১ লাইনের মন্তব্যও থাকতে পারে যে আপনি কেমনটি করবেন।

Methods: কিভাবে করবেন? কত টাকা লাগতে পারে? কত সময় লাগতে পারে? কি কি ব্যবহার করবেন? কত ব্যাপ্তী নিয়ে করবেন? তার সম্ভাব্য হিসাব নিকাশ ও পদ্ধতির বর্ণনা থাকলে খুবই ভাল হয়। এখানেই আপনার জ্ঞান ও তপস্য ফুটে উঠবে যে আপনি আসলেই কতটুকু জানেন।

Probable results or Prediction: যা করবেন তার হতে কেমন ধরনের ফল আশা করছেন তার সম্ভাব্য রকমফের এখানে হালকা অনুমানরুপে দেয়া যেতে পারে ৫-৬ লাাইনে।

Future aspect: এই যে এত কিছু করবেন তাতে জগতের কি লাভ? আপনার কি লাভ? সুপারভাইজরের কি লাভ? বিজ্ঞানের কি লাভ? তা পয়েন্ট আকারে লিপিবদ্ধ করতে হপে।

Reference: এখানে রেফারেন্স দিবেন যদি কোন প্রকাশিত গবেষণার লাইন ব্যবহার এরন এই Research Proposal বা Study Plan লেখবার কোন অংশে। এটা বেশ আকর্ষনীয় জায়গা যেখানে আপনার অধ্যবসায় ফুটে উঠবে যে কতটা পড়াশুনা করতে পারেন আপনি।

এমনই একটা Research Proposal লিখে পিএইচডি স্কলারশিপ হাতিয়েছিলাম আমি । তবে মজার বিষয় হলো অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব প্রপোজালের কিছুই গবেষক করতে পারেন না। সুপারভাইজরের আদেশেই তার গবেষণার টপিক ঠিক হয়। তাই এটা লেখবার সময় সিরিয়াস হতে হবে কিন্তু একেবারে মরে যাবার দরকার নেই পড়তে পড়তে। লিখুন, সাবমিট করুন, শেষ। :)

কিছু উদাহরণ এখানেঃ goo.gl/EviyRW

Comments

Popular posts from this blog

থিসিস (Thesis) লেখার ধাপ সমূহ

  সানি, এত ছোট থিসিস লেখলে হবে না, কমপক্ষে ৫০ পৃষ্ঠা তো করো.... দেশী সুপারভাইজরের মুখে এ কথা শুনে আমি চৌটানায় পড়ি.... পেপার লিখতে হলে যদি ৭-১১ পৃষ্ঠাতেই হয়ে যায় তবে সেই জিনিসের থিসিস কেন বড় করতে হবে বা এত এত এত লিখতে হবে..... মনে হচ্ছিলো জীবনটা থিসিস লিখতে লিখতেই বুড়ো হয়ে যাবে... তবে একথা সত্য যে কপিপেস্ট বিদ্যার জোরে আমাদের অনেকেই থিসিস ৭ দিনে সটান করে ফেলে.... পরে গবেষনাপত্র বা পেপার লিখবার সময় ধরা খায়। তবে থিসিস লেখবার ধাপ, নিয়ম ও কারুকার্য Research Methodology নামক কোর্সে পড়ানো হয়। তবে সব ডিপার্টমেন্টের সবাই তেমন সৌভাগ্যবান নাও হতে পারেন এই কোর্স পাবার..... হাহাহা.... আমরা গবেষণা চাই কিন্তু গবেষণা কি করে করতে, পড়তে, লিখতে, দেখাতে হয় তা শেখাই না.... জয় বাংলা !! আসুন বাংলাতে তা দেখে নেয়া যাক... Title শিরোনাম লেখার এক এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক এক ডিজাইন ব্যবহার করার হয়। বড়ভাইয়ের থিসিস দেখে কপি মারুন। শেষ। Declaration এখানে আপনি লেখবেন যে এই থিসিস করতে গিয়ে আপনি কোন চুরি করেননি ও কপি করেন নি কাউকে, পরিশ্রম করেছেন.... হালকা নিজের ঢোল পিটিয়ে নিচে সই করুন। এখানে আপনি লেখবেন যে এই থি...

জার্নালের ফী কত করে?

মন দিয়ে পড়তে হবে। ছকটি খেয়াল করে দেখি। জার্নালা দু প্রকারঃ ভাল জার্নাল নিম্নমানের জার্নাল ভাল জার্নাল ৪ প্রকারঃ উচ্চ Q1 মধ্য Q2 মোটামুটি Q3 চলে Q4 এখন প্রতিটা Q1, Q2, Q3 ও Q4 এর ধরণ ভেদে দুটি সুবিধা রয়েছেঃ Open Access মানে হলো পুরো পেপারটা ডাউনলোড করা যায়। Close Access মানে হলো খালি এবস্ট্রাক্ট/অনেক ক্ষেত্রে এটাও দেখতে দেয়না। শুধু শিরোনাম দেখায়। পুরো পেপার নিতে হলে ডলার দেয়া লাগে। বা চুরি করা লাগে। আর এই সবগুলির-ই ছবিতে দেয়া সবকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। অর্থাৎ ভাল জার্নালেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। খারাপেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। আর এদের মধ্যেঃ C1 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C2 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C3 ছাপানো ফ্রী কিন্তু পুরো পেপার দেখা যায় না। C4 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নাল এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে। C5 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নালগুলি এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে যারা পাবলিকেশন চার্জ নেয় না কিন্তু রঙিন ছবি বা গ...

ইন্টার্নশিপ ভাল নাকি থিসিস বা প্রজেক্ট?

  ওসাম দেশের ওসাম নিয়ম। চাকরী করতে গেলে অভিজ্ঞতা লাগবে কোন প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা ও পাশ করবার কাঠামো টা তেমন করে গড়া হয় নি তাহলে এক্সপেরিয়েন্স সনদ কি নাযিল হবে আসমান হতে? যে কোন বিষয়ের সিলেবাসটা একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে বছরের পর বছর একই বিষয়ের পড়াশুনো বারবার রিপিট করা হচ্ছে সিলেবাস বড় করবার জন্য অথচ কত নতুন বিষয় বাদ পড়ে যাচ্ছে। সেম শিট দিয়ে টার্মের পর টার্ম কাজ চালানো হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ের... এভাবেই একই গরুর বিভিন্ন নাম দিয়ে কোর্স রিপিটেশন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা হচ্ছে কিন্তু নতুন বিষয় বা সম্ভাবনাগুলি জানছে না কেউ। যেমন কেউ আমাকে মেরিন ইকোলজি ও মেরিন বায়লজির মধ্যে পার্থক্য দেখাতে পারবেন যে এই এই কারণে এই দুটি টপিককে অালাদা ৩ ক্রেডিটের বিষয়রুপে পড়ানো উচিত ও তাতে এই এই ফায়দা হবে.... যেখানে রিমোট সেন্সিং ও ডাটা প্রসেসিং এর একটি ইন্টার্নশিপ ঢুকিয়ে দিলেই কতই না ফায়দা হবে... ব্যবহারিক শিক্ষা + ওই প্রতিষ্ঠান হতে ৬ মাস কাজ করেছে তার সনদ। হয়ে গেল অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট। যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন বিষয়েই এই কাজ করা সম্ভব। ছাত্রছাত্রীরা চয়েজ করবে যে তারা ইন্ট...