Skip to main content

কিভাবে খুলবো ResearchGate আইডি.....

 না খুললেও চলে যদি গুগলে কিভাবে গবেষণা সার্চ করে বের করতে হয় তার অভিজ্ঞতা বা জ্ঞান থাকে। তবুও ResearchGate এ আইডি খুলতে পারলে কাজটা আরও সহজ হয়। নিজের প্রকাশিত গবেষণা থাকলে তাও দেয়া যায় সেখানে। সংক্ষেপে রিসার্চগেট হলো গবেষকদের ফেসবুক। ওখানে লাইকের বদলে রিকমেন্ড করতে হয় আর কমেন্ট ও মেসেজ তো রয়েছেই। :)

প্রথমেই www.researchgate.net সাইট টিতে চলে যান। গিয়ে নিচের মতো পাবেন।

জয়েন ফ্রিতে ক্লিক করুন। নিচের মতো পাবেন।

একাডেমিক বা শিক্ষার্থী তে ক্লিক করুন। নিচের মতো পাবেন।

পূরন করে ফেলুন নিচের মতোঃ

লেখবার সময় নিচে সাজেশনে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দেখাবে। (দেখানোর কথা) ওটা চেপে দেবেন।

এরপর কন্টিনিউ চেপে নিচের ছক পাবেন তা পূরণ করে ফেলুন। এখানে Your institutional mail মানে হলো আপনি যে প্রতিষ্ঠানে পড়ছেন সেই প্রতিষ্ঠানের ওয়বসাইটের আন্ডারে আপনার নামে খোলা একটি ইমেইল যে ইমেইলের নামের শেষ অংশ হবে ওয়েব সাইটের শেষ অংশের মতো যেমন www.mojaruniversity.com এর আন্ডারে মেইলের ঠিকানাটা হতে পারে অনেকটা এমন modon@mojaruniversity.com :) যা বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রতিটা ছাত্রছাত্রীকে খুলে দেবার কথা। না দিলে শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনে এপ্লিকেশন করে খুলে নিতে হবে সেই institutional mail তা না হলে আইডি খোলা যাবে না।

এরপর কন্টিনিউ তে ক্লিক করলে আপনাকে ভেরিফিকেশনের জন্য আপনার দেয়া ইমেইলে একটা লিংক পাঠাবে ওখানে সেই মেইলে লগিন করে গিয়ে সেই লিংকটিতে ক্লিক করতে হবে। তবেই পেয়ে যাবেন আপনার সাধের আইডি। :)

কিন্তু আপনার যদি institutional mail না থাকে তবে আপনি নিচের ছবিতে দেয়াঃ

নট এ রিসার্চার এ ক্লিক করে নিচের মতো পাবেন। এবারঃ

স্টার্ট ব্রাউজিং দিয়ে কাজ চালানো যায় তবে যদি রিসার্চ পেপার ডাউনলোড করতে চান তবেঃ

যেগুলিতে Download Full text PDf লেখা আছে সেগুলি সরাসরি নামাতে পারবেন। কিন্তু নিচের মতো লেখা থাকলেঃ

রিকোয়েস্টে ক্লিক করে নিজের নরমাল জিমেইল বা ইহাহু মেইল দিলে তারা বলে যে তারা একটা রিংক পাঠিয়েছে ওই আপনার মেইলে। মাছে মাছে তা আসে। মাঝে মাঝে তা পাওয়া যায় না আইডি না থাকার কারণে।

তবে আপনার সাথে অন্য কোন গবেষকের প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধ থাকলে তিনি যদি আপনাকে ইনভাইট করেন তবে মেইলে লিংক পাবেন।

অথবা তিনি যদি আপনাকে রিকমেন্ড করেন রিসার্চগেটে আপনার যেকোন মেইল এড্রেস দিয়ে তবে আপনি মেইলে একটা লিংক পাবেন যা দিয়ে আইডি খোলা যায় বলে শুনেছি তবে আমি এমন কোন অপশন পাইনি এখনও।

সহজে গবেষণা পাবার জন্য ও নতুন গবেষণার নোটিফিকেশন পাবার জন্য এই আইডিটা থাকা উচিত। বাকিটা দেশ, সমাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষক ও আপনার গবেষণার প্রতি আগ্রহের উপর নির্ভর করবে।

Comments

Popular posts from this blog

থিসিস (Thesis) লেখার ধাপ সমূহ

  সানি, এত ছোট থিসিস লেখলে হবে না, কমপক্ষে ৫০ পৃষ্ঠা তো করো.... দেশী সুপারভাইজরের মুখে এ কথা শুনে আমি চৌটানায় পড়ি.... পেপার লিখতে হলে যদি ৭-১১ পৃষ্ঠাতেই হয়ে যায় তবে সেই জিনিসের থিসিস কেন বড় করতে হবে বা এত এত এত লিখতে হবে..... মনে হচ্ছিলো জীবনটা থিসিস লিখতে লিখতেই বুড়ো হয়ে যাবে... তবে একথা সত্য যে কপিপেস্ট বিদ্যার জোরে আমাদের অনেকেই থিসিস ৭ দিনে সটান করে ফেলে.... পরে গবেষনাপত্র বা পেপার লিখবার সময় ধরা খায়। তবে থিসিস লেখবার ধাপ, নিয়ম ও কারুকার্য Research Methodology নামক কোর্সে পড়ানো হয়। তবে সব ডিপার্টমেন্টের সবাই তেমন সৌভাগ্যবান নাও হতে পারেন এই কোর্স পাবার..... হাহাহা.... আমরা গবেষণা চাই কিন্তু গবেষণা কি করে করতে, পড়তে, লিখতে, দেখাতে হয় তা শেখাই না.... জয় বাংলা !! আসুন বাংলাতে তা দেখে নেয়া যাক... Title শিরোনাম লেখার এক এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক এক ডিজাইন ব্যবহার করার হয়। বড়ভাইয়ের থিসিস দেখে কপি মারুন। শেষ। Declaration এখানে আপনি লেখবেন যে এই থিসিস করতে গিয়ে আপনি কোন চুরি করেননি ও কপি করেন নি কাউকে, পরিশ্রম করেছেন.... হালকা নিজের ঢোল পিটিয়ে নিচে সই করুন। এখানে আপনি লেখবেন যে এই থি...

জার্নালের ফী কত করে?

মন দিয়ে পড়তে হবে। ছকটি খেয়াল করে দেখি। জার্নালা দু প্রকারঃ ভাল জার্নাল নিম্নমানের জার্নাল ভাল জার্নাল ৪ প্রকারঃ উচ্চ Q1 মধ্য Q2 মোটামুটি Q3 চলে Q4 এখন প্রতিটা Q1, Q2, Q3 ও Q4 এর ধরণ ভেদে দুটি সুবিধা রয়েছেঃ Open Access মানে হলো পুরো পেপারটা ডাউনলোড করা যায়। Close Access মানে হলো খালি এবস্ট্রাক্ট/অনেক ক্ষেত্রে এটাও দেখতে দেয়না। শুধু শিরোনাম দেখায়। পুরো পেপার নিতে হলে ডলার দেয়া লাগে। বা চুরি করা লাগে। আর এই সবগুলির-ই ছবিতে দেয়া সবকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। অর্থাৎ ভাল জার্নালেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। খারাপেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। আর এদের মধ্যেঃ C1 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C2 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C3 ছাপানো ফ্রী কিন্তু পুরো পেপার দেখা যায় না। C4 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নাল এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে। C5 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নালগুলি এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে যারা পাবলিকেশন চার্জ নেয় না কিন্তু রঙিন ছবি বা গ...

ইন্টার্নশিপ ভাল নাকি থিসিস বা প্রজেক্ট?

  ওসাম দেশের ওসাম নিয়ম। চাকরী করতে গেলে অভিজ্ঞতা লাগবে কোন প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা ও পাশ করবার কাঠামো টা তেমন করে গড়া হয় নি তাহলে এক্সপেরিয়েন্স সনদ কি নাযিল হবে আসমান হতে? যে কোন বিষয়ের সিলেবাসটা একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে বছরের পর বছর একই বিষয়ের পড়াশুনো বারবার রিপিট করা হচ্ছে সিলেবাস বড় করবার জন্য অথচ কত নতুন বিষয় বাদ পড়ে যাচ্ছে। সেম শিট দিয়ে টার্মের পর টার্ম কাজ চালানো হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ের... এভাবেই একই গরুর বিভিন্ন নাম দিয়ে কোর্স রিপিটেশন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা হচ্ছে কিন্তু নতুন বিষয় বা সম্ভাবনাগুলি জানছে না কেউ। যেমন কেউ আমাকে মেরিন ইকোলজি ও মেরিন বায়লজির মধ্যে পার্থক্য দেখাতে পারবেন যে এই এই কারণে এই দুটি টপিককে অালাদা ৩ ক্রেডিটের বিষয়রুপে পড়ানো উচিত ও তাতে এই এই ফায়দা হবে.... যেখানে রিমোট সেন্সিং ও ডাটা প্রসেসিং এর একটি ইন্টার্নশিপ ঢুকিয়ে দিলেই কতই না ফায়দা হবে... ব্যবহারিক শিক্ষা + ওই প্রতিষ্ঠান হতে ৬ মাস কাজ করেছে তার সনদ। হয়ে গেল অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট। যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন বিষয়েই এই কাজ করা সম্ভব। ছাত্রছাত্রীরা চয়েজ করবে যে তারা ইন্ট...