মানুষ বছরের পর বছর ধরে আবেদন করেও স্কলারশীপ পায় না আর আমরা এক মজার জাতি, রাস্তাঘাটে পোস্টারে লেখা থাকে যেমন এখুণি আবেদন করুণ এখুণি পাবেন তেমন মনে করে যখন স্কলারশিপের সার্কুলার দেয় তখন সব কাগজপত্র তৈরি করবার জন্য দৌড়াদৌড়ি লাগাই....
বিশেষ করে বিদেশী প্রফেসর যদি ব্যস্ত থাকেন ও ইমেইলের রিপ্লাই না দেন তবে এক্সপটেন্স লেটার আর পাওয়া হয়না সময় মতো। প্রফেসর রাজি থাকলে স্কলারশিপ পাওয়া সহজ হয় সেজন্য ৬-৭ মাস আগে হতে খোঁজ খবর নিতে হবেঃ
- কোন দেশে কেমন স্কলারশিপ
- কোন স্কলারশিপের কি কি সুবিধা
- আমার সাবজেক্টের স্কলারশিপ কোন কোন দেশের কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় দেয়
- কোন কোন বড়ভাই/বোন বা স্যার গিয়েছেন, কোথায়, কিভাবে গিয়েছেন
- নিজের বিষয়ের কোন কোন বিদেশী প্রফেসরকে ইমেইল করবো তার লিস্ট করা
- স্কলারশীপ কোন মাসে কয় তারিখের দিকে সম্ভাব্য দিতে পারে
- তাতে কি কি কাগজাদি লাগে
- সেগুলি আমার রেডি আছে কিনা
- কাগজগুলিতে হালকা খরচপাতি কেমন হবে
- সেসব টাকা রেডি আছে কিনা
এই সব তথ্য গুগল এ পাওয়া যায়। কষ্ট করে ফেসবুকে কম সময় দিয়ে মাসখানেক নিয়মিত বসে সার্চ করলেই হবে।
আমার ভারতীয় কলিগ গল্প করে সে ৩ বছর ধরে ১০০ এর কাছাকাছি প্রফেসরদেরকে ইমেইল করে একসেপ্টেন্স লেটার পেয়েছে।
তাই “উঠলো বাই, চলো বু পাহাড়ে যাই” টাইপ লাফ দিয়ে পড়ে স্কলারশিপ পাওয়া কষ্টকর ও অসম্ভব। তাই যাদের বাইর পড়বার ইচ্ছা, টুকটাক শুরু করে দিতে হবে.....পাশ করবার শেষ বছরের দিকে।
Comments
Post a Comment