Skip to main content

এজেন্সির মাধ্যমে Scholarshipএ যেতে হলে

 দেখুন অনেকেই এমন আছেন যে দেশ ছাড়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন বা বিদেশে পড়তে যাবার জন্য বেশি আগ্রহী বা অবস্থা সম্পন্ন ঘরের ছেলে-মেয়ে যারা বিদেশে পড়তে আসবার জন্য ৮০ হাজার হতে ১ লক্ষ টাকা এক্সট্রা খরচ করতে পারেন। আবার অনেকেই আছেন যারা মধ্যবিত্ত কিন্তু মনে করেন একবারের এককালীন খরচে যদি একবার দেশের বাইরে যাওয়া যায় তবে তো....... ছক্কা।

তাদের জন্য এই পোস্ট যেন তারা প্রতারণার শিকার না হন।

  1. প্রথমেই এজেন্সীটার খোঁজ নিতে হবে। ব্যাকগ্রাউন্ড।
  2. কতজন স্টুডেন্ট এখন পর্যন্ত পাঠিয়েছেন তা জানার চেষ্টা করা ও সম্ভব হলে তাদের কয়েকজনের সাথে কথা বলা যে এরা কেমন সার্ভিস দেয়। ফেসবুকের যুগে যা অনেকটাই সহজ।
  3. আপনি যেখানে যাচ্ছেন সেখানে বাঙালী আছে কিনা...
  4. স্কলারশিপ পাবার পর কোন হিডেন বা লুকায়িত চার্জ আছে কিনা....
  5. থাকা ফ্রি কিনা... হল ফ্রি কিনা....
  6. জীবন যাত্রার খরচ কেমন হবে.....
  7. তারা কেমন টাকা নেয়....
  8. অন্য এজেন্সিরা কেমন টাকা নেয়... তারা খুব বেশি নিচ্ছে কিনা নাকি সহনীয় মাত্রায় নিচ্ছেন ঘুষের সহনশীলতার সূত্র অনুযায়ী ;) :D
  9. সকল কাগজপত্র করতে কেমন খরচ হবে
  10. যেখানে যাচ্ছেন সেই বিশ্ববিদ্যালয়টির রেপুটেশন কেমন তা গুগল করা।

পেছন আপনার, মারা খাওয়া হতে সামলাতে হবে আপনাকেই। ভাইয়া আপনি লিংক দিসিলেন বলে গিয়েছিলাম এসব শুনবো না.... তুমি যথেষ্ট ম্যাচিউর... সবকিছু বলে দেবার পরও যদি নিজের বেখেয়ালে মারা খাও তাহলে তোমার দোষ... আর সবকিছু ঠিক থাকার পরও মারা খাও তা হলো তোমার নিয়তি... Face it. সব এজেন্সি খারাপ হয় না। মাঝে মাঝে ইউনিভার্সিটিও ফাইজলামী করে কিছু কিছু.... মাঝে মাঝে কিছু চৈনিক শিক্ষকও মজা নেন....

তাই জীবন মানেই এক যুদ্ধ। তা সামলাতে হবে তোমাকেই। সবকিছু ইজিমিজিতে হয়ে গেলে কি হলো? কোন এডভেঞ্চার হলো? কিছু শিখতে পারবে? আমরা মানুষগুলি আজিব। পালিত কুকুরের মতো জীবন চাই যে সবকিছু মালিক করে দেবে আমরা খালি বসে বসে খামু, লাফামু আর হুদাই ঘেউঘেউ করমু। আর পরিচয় দেবো মানুষ হিসেবে... হাহাহা সেলুকাস !!!!!

এজন্যই কবি বলেছিলেন, রেখেছ বাঙালী করে, মানুষ করোনি :( -_-

Take the risk. Its only one life for jump in risks...... And again, No risk, No gain :)

Comments

Popular posts from this blog

থিসিস (Thesis) লেখার ধাপ সমূহ

  সানি, এত ছোট থিসিস লেখলে হবে না, কমপক্ষে ৫০ পৃষ্ঠা তো করো.... দেশী সুপারভাইজরের মুখে এ কথা শুনে আমি চৌটানায় পড়ি.... পেপার লিখতে হলে যদি ৭-১১ পৃষ্ঠাতেই হয়ে যায় তবে সেই জিনিসের থিসিস কেন বড় করতে হবে বা এত এত এত লিখতে হবে..... মনে হচ্ছিলো জীবনটা থিসিস লিখতে লিখতেই বুড়ো হয়ে যাবে... তবে একথা সত্য যে কপিপেস্ট বিদ্যার জোরে আমাদের অনেকেই থিসিস ৭ দিনে সটান করে ফেলে.... পরে গবেষনাপত্র বা পেপার লিখবার সময় ধরা খায়। তবে থিসিস লেখবার ধাপ, নিয়ম ও কারুকার্য Research Methodology নামক কোর্সে পড়ানো হয়। তবে সব ডিপার্টমেন্টের সবাই তেমন সৌভাগ্যবান নাও হতে পারেন এই কোর্স পাবার..... হাহাহা.... আমরা গবেষণা চাই কিন্তু গবেষণা কি করে করতে, পড়তে, লিখতে, দেখাতে হয় তা শেখাই না.... জয় বাংলা !! আসুন বাংলাতে তা দেখে নেয়া যাক... Title শিরোনাম লেখার এক এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক এক ডিজাইন ব্যবহার করার হয়। বড়ভাইয়ের থিসিস দেখে কপি মারুন। শেষ। Declaration এখানে আপনি লেখবেন যে এই থিসিস করতে গিয়ে আপনি কোন চুরি করেননি ও কপি করেন নি কাউকে, পরিশ্রম করেছেন.... হালকা নিজের ঢোল পিটিয়ে নিচে সই করুন। এখানে আপনি লেখবেন যে এই থি...

জার্নালের ফী কত করে?

মন দিয়ে পড়তে হবে। ছকটি খেয়াল করে দেখি। জার্নালা দু প্রকারঃ ভাল জার্নাল নিম্নমানের জার্নাল ভাল জার্নাল ৪ প্রকারঃ উচ্চ Q1 মধ্য Q2 মোটামুটি Q3 চলে Q4 এখন প্রতিটা Q1, Q2, Q3 ও Q4 এর ধরণ ভেদে দুটি সুবিধা রয়েছেঃ Open Access মানে হলো পুরো পেপারটা ডাউনলোড করা যায়। Close Access মানে হলো খালি এবস্ট্রাক্ট/অনেক ক্ষেত্রে এটাও দেখতে দেয়না। শুধু শিরোনাম দেখায়। পুরো পেপার নিতে হলে ডলার দেয়া লাগে। বা চুরি করা লাগে। আর এই সবগুলির-ই ছবিতে দেয়া সবকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। অর্থাৎ ভাল জার্নালেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। খারাপেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। আর এদের মধ্যেঃ C1 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C2 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C3 ছাপানো ফ্রী কিন্তু পুরো পেপার দেখা যায় না। C4 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নাল এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে। C5 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নালগুলি এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে যারা পাবলিকেশন চার্জ নেয় না কিন্তু রঙিন ছবি বা গ...

ইন্টার্নশিপ ভাল নাকি থিসিস বা প্রজেক্ট?

  ওসাম দেশের ওসাম নিয়ম। চাকরী করতে গেলে অভিজ্ঞতা লাগবে কোন প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা ও পাশ করবার কাঠামো টা তেমন করে গড়া হয় নি তাহলে এক্সপেরিয়েন্স সনদ কি নাযিল হবে আসমান হতে? যে কোন বিষয়ের সিলেবাসটা একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে বছরের পর বছর একই বিষয়ের পড়াশুনো বারবার রিপিট করা হচ্ছে সিলেবাস বড় করবার জন্য অথচ কত নতুন বিষয় বাদ পড়ে যাচ্ছে। সেম শিট দিয়ে টার্মের পর টার্ম কাজ চালানো হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ের... এভাবেই একই গরুর বিভিন্ন নাম দিয়ে কোর্স রিপিটেশন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা হচ্ছে কিন্তু নতুন বিষয় বা সম্ভাবনাগুলি জানছে না কেউ। যেমন কেউ আমাকে মেরিন ইকোলজি ও মেরিন বায়লজির মধ্যে পার্থক্য দেখাতে পারবেন যে এই এই কারণে এই দুটি টপিককে অালাদা ৩ ক্রেডিটের বিষয়রুপে পড়ানো উচিত ও তাতে এই এই ফায়দা হবে.... যেখানে রিমোট সেন্সিং ও ডাটা প্রসেসিং এর একটি ইন্টার্নশিপ ঢুকিয়ে দিলেই কতই না ফায়দা হবে... ব্যবহারিক শিক্ষা + ওই প্রতিষ্ঠান হতে ৬ মাস কাজ করেছে তার সনদ। হয়ে গেল অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট। যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন বিষয়েই এই কাজ করা সম্ভব। ছাত্রছাত্রীরা চয়েজ করবে যে তারা ইন্ট...