Skip to main content

আমার Subject এর স্কলারশিপ পাই না কেন

 বিদেশে যারা এই মুহূর্তে পড়াশোনা করছেন তারা দেশে থাকা জুনিওরদের কাছ থেকে প্রায় যে কথাটি শুনে থাকেন তা হল, “ভাইয়া আমার সাবজেক্টে আমি কোন স্কলারশিপ খুঁজে পাইনা।” সেই সকল ভাই ও বোনদের প্রতি আমার কিছু কথাঃ

  1. বাংলাদেশ এবং এর শিক্ষা ব্যবস্থা যে অবস্থানে আছে বিশ্বের অনেক দেশই তার থেকে ৫০ কিংবা ১০০ কিংবা ২০০ বছর এগিয়ে গিয়েছে
  2. তাই আপনি যে বিষয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ খুজছেন হয়তো আপনার কাঙ্খিত দেশে সেই বিষয়টিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভাগে বিভক্ত করে উচ্চশিক্ষা চালু করেছে। কারণ প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় নিজের দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সাধারণ বিজ্ঞান এর শিক্ষায় বসে থাকলে চলে না সেই বিজ্ঞানকে আরো শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত করে অন্যদিকে ত্বরান্বিত করতে হয়। যা হয়তো অদূর ভবিষ্যতে আমাদের দেশেও চালু হতে পারে।
  3. তাই হুবহু আপনার বিষয়ে স্কলারশিপ না পেলেও আপনার বিষয়ে আশপাশ দিয়ে যায় বা আপনার বিষয়ের কাছাকাছি আপনার বিষয়টিকে শ্রেণীবিভাগ করলে যতগুলো বিষয় দ্বারা হয় তার যেকোন একটি তে আপনাকে উচ্চশিক্ষা সুযোগ খুঁজতে হবে।

যেমন খুব সহজে উদাহরণ দেই মৎস্য বিজ্ঞান একটি অনেক বিশাল বড় বিষয় কিন্তু এই বিষয়টিকে যখন আমরা ছোট ভাগে বিভক্ত করে যেমনঃ

  1. মৎস্য বিজ্ঞান ব্যবস্থাপনা
  2. মৎস্য বিজ্ঞান ও জীবপ্রযুক্তি
  3. মৎস্য বিজ্ঞান ও জীবপ্রকৌশল
  4. সামুদ্রিক মৎস্য বিজ্ঞান
  5. উপকূলীয় মৎস্য বিজ্ঞান
  6. নদীমাতৃক মৎস্যবিজ্ঞান
  7. স্বাদু পানির মৎস্য বিজ্ঞান
  8. গভীর সমুদ্রের মৎস্যবিজ্ঞান ইত্যাদি আরো অনেক কিছু........

তাই হয়তো সরাসরি মৎস্য বিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা না পেলেও বিজ্ঞানের কাছাকাছি যায় এমনকি অনেকে আছেন যারা মৎস্য বিজ্ঞানে পড়ে পরিবেশ বিদ্যা তথা এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এর নানা বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিয়ে থাকেন ।

তাই বিদেশে যাবার স্বপ্ন থাকলে শুধু নিজের বিষয়ে স্কলারশিপ পেতে হবে এমন চিন্তা ভাবনা বাদ দিতে হবে। নিজের কাছাকাছি বিষয়গুলি খুঁজতে হবে এবং সে সকল বিষয়ে আবেদন করতে হবে। আপনি আপনার শিক্ষক এবং আপনার সিনিয়র সহোদর বড় ভাই এবং বোনের কাছ থেকে এগুলোর খোঁজ পেয়ে যাবেন। এছাড়া আপনি যদি প্রতিদিন আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা ফেসবুক এবং ইউটিউব এর পাশাপাশি এই বিষয়ে গুগল কে জিজ্ঞাসা করেন তাহলেও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালযয়ে আপনার সাবজেক্ট এর কাছাকাছি অনেক বিষয় পেয়ে যাবেন। তাই সময় নষ্ট না করে খুঁজতে বসে যান দেখবেন হাজার হাজার কোটি কোটি স্কলারশিপ আপনার বিষয়ে বসে রয়েছে। হয়তো আপনি ঠিকভাবে খুঁজতে জানতেন না বলে এতদিন পাননি।

তাহলে? শুরু করুন………………..

Comments

Popular posts from this blog

থিসিস (Thesis) লেখার ধাপ সমূহ

  সানি, এত ছোট থিসিস লেখলে হবে না, কমপক্ষে ৫০ পৃষ্ঠা তো করো.... দেশী সুপারভাইজরের মুখে এ কথা শুনে আমি চৌটানায় পড়ি.... পেপার লিখতে হলে যদি ৭-১১ পৃষ্ঠাতেই হয়ে যায় তবে সেই জিনিসের থিসিস কেন বড় করতে হবে বা এত এত এত লিখতে হবে..... মনে হচ্ছিলো জীবনটা থিসিস লিখতে লিখতেই বুড়ো হয়ে যাবে... তবে একথা সত্য যে কপিপেস্ট বিদ্যার জোরে আমাদের অনেকেই থিসিস ৭ দিনে সটান করে ফেলে.... পরে গবেষনাপত্র বা পেপার লিখবার সময় ধরা খায়। তবে থিসিস লেখবার ধাপ, নিয়ম ও কারুকার্য Research Methodology নামক কোর্সে পড়ানো হয়। তবে সব ডিপার্টমেন্টের সবাই তেমন সৌভাগ্যবান নাও হতে পারেন এই কোর্স পাবার..... হাহাহা.... আমরা গবেষণা চাই কিন্তু গবেষণা কি করে করতে, পড়তে, লিখতে, দেখাতে হয় তা শেখাই না.... জয় বাংলা !! আসুন বাংলাতে তা দেখে নেয়া যাক... Title শিরোনাম লেখার এক এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক এক ডিজাইন ব্যবহার করার হয়। বড়ভাইয়ের থিসিস দেখে কপি মারুন। শেষ। Declaration এখানে আপনি লেখবেন যে এই থিসিস করতে গিয়ে আপনি কোন চুরি করেননি ও কপি করেন নি কাউকে, পরিশ্রম করেছেন.... হালকা নিজের ঢোল পিটিয়ে নিচে সই করুন। এখানে আপনি লেখবেন যে এই থি...

জার্নালের ফী কত করে?

মন দিয়ে পড়তে হবে। ছকটি খেয়াল করে দেখি। জার্নালা দু প্রকারঃ ভাল জার্নাল নিম্নমানের জার্নাল ভাল জার্নাল ৪ প্রকারঃ উচ্চ Q1 মধ্য Q2 মোটামুটি Q3 চলে Q4 এখন প্রতিটা Q1, Q2, Q3 ও Q4 এর ধরণ ভেদে দুটি সুবিধা রয়েছেঃ Open Access মানে হলো পুরো পেপারটা ডাউনলোড করা যায়। Close Access মানে হলো খালি এবস্ট্রাক্ট/অনেক ক্ষেত্রে এটাও দেখতে দেয়না। শুধু শিরোনাম দেখায়। পুরো পেপার নিতে হলে ডলার দেয়া লাগে। বা চুরি করা লাগে। আর এই সবগুলির-ই ছবিতে দেয়া সবকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। অর্থাৎ ভাল জার্নালেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। খারাপেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। আর এদের মধ্যেঃ C1 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C2 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C3 ছাপানো ফ্রী কিন্তু পুরো পেপার দেখা যায় না। C4 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নাল এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে। C5 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নালগুলি এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে যারা পাবলিকেশন চার্জ নেয় না কিন্তু রঙিন ছবি বা গ...

ইন্টার্নশিপ ভাল নাকি থিসিস বা প্রজেক্ট?

  ওসাম দেশের ওসাম নিয়ম। চাকরী করতে গেলে অভিজ্ঞতা লাগবে কোন প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা ও পাশ করবার কাঠামো টা তেমন করে গড়া হয় নি তাহলে এক্সপেরিয়েন্স সনদ কি নাযিল হবে আসমান হতে? যে কোন বিষয়ের সিলেবাসটা একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে বছরের পর বছর একই বিষয়ের পড়াশুনো বারবার রিপিট করা হচ্ছে সিলেবাস বড় করবার জন্য অথচ কত নতুন বিষয় বাদ পড়ে যাচ্ছে। সেম শিট দিয়ে টার্মের পর টার্ম কাজ চালানো হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ের... এভাবেই একই গরুর বিভিন্ন নাম দিয়ে কোর্স রিপিটেশন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা হচ্ছে কিন্তু নতুন বিষয় বা সম্ভাবনাগুলি জানছে না কেউ। যেমন কেউ আমাকে মেরিন ইকোলজি ও মেরিন বায়লজির মধ্যে পার্থক্য দেখাতে পারবেন যে এই এই কারণে এই দুটি টপিককে অালাদা ৩ ক্রেডিটের বিষয়রুপে পড়ানো উচিত ও তাতে এই এই ফায়দা হবে.... যেখানে রিমোট সেন্সিং ও ডাটা প্রসেসিং এর একটি ইন্টার্নশিপ ঢুকিয়ে দিলেই কতই না ফায়দা হবে... ব্যবহারিক শিক্ষা + ওই প্রতিষ্ঠান হতে ৬ মাস কাজ করেছে তার সনদ। হয়ে গেল অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট। যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন বিষয়েই এই কাজ করা সম্ভব। ছাত্রছাত্রীরা চয়েজ করবে যে তারা ইন্ট...