Skip to main content

বিদেশী University খোঁজার সূত্র

 প্রথমেই আপনাকে হিসেব করতে হবে পরিবার ছেড়ে আপনি বাইরে যেতে প্রস্তুত কিনা? মনস্থির করে তারপর বসুন। খুঁজুন.........

:) সূত্র ১ঃ নিজের দেশী শিক্ষকদের ধরুন বিশেষ করে যারা বৈদেশিক সনদপ্রাপ্ত। দিনরাত তৈল মর্দন করুন ও বলুন, স্যার আমি বিদেশে মাস্টার্স/পিএইচডি করতে যেতে চাই। কি কি করতে হবে একটু বলুন। মানুষ ভাল হলে নির্দেশনা চলে আসবে। যদিও ভাল মনের শিক্ষকদের হতে অতিরিক্ত কথা খরচ না করেই সবকিছু পাওয়া যায়। আমি যেমন পেয়েছিলাম ঢাবি হতে। নোবিপ্রবি হতে। :*

:) সূত্র ২ঃ গুগলে বসুন। নিজের বিষয় কোন কোন ইউনিভার্সিটিতে আছে তা খুঁজুন। ধরুন আপনার বিষয়ের নাম “কদু সাইন্স”, এবিষয়ে বিশ্বে সেরা ৫টির মধ্যে ১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম “অ্যামাজন এগ্রি ইউনি-ভাঁড়-City”..... এখন সেই প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে যান। দেখুন শিক্ষক সংখ্যা কজন, প্রফেসর কজন.... বিদেশী ছাত্র আছে কিনা তাও দেখে নিতে পারেন যদি অ্যালামনাই লিস্ট দেয়া থাকে..... এরপর কোন প্রফেসরকে আপনার বিষয়ের সাথে মানানসই মনে হলে তাঁর মেইল আইডি ওয়েবসাইট হতে নিয়ে তাকে লিংকে ( goo.gl/QHMqki ) দেয়া উপায়ে যোগাযোগ করুন। তাঁকে জিগ্যেস করুন কোন স্কলারশিপের ব্যবস্থা আছে কিনা। :) সে যদি রিপ্লাই দেয় তবে সে অনুযায়ী কাজ করুন। এভাবে একের পর এক খুঁজতে থাকুন ও দিতে থাকুন। :)

:) সূত্র ৩ঃ পরিচিত কোন বড় ভাই বা ভার্সিটির নিজ বিষয়ের সিনিওর (যার সাথে কোনদিন বেয়াদবি করেন নি) বা অন্য বিষয়ের কেউ যে বিদেশে স্কলারশিপে চলমান আছেন বা পার করেছেন তাদেরকে ভদ্রতার সহিত বক্সে নকান। জানতে চান বিষয়গুলি। যদি কোন সিনিওরের কাছে আপনার এপ্রোচ দেখে মনে হয় খালি টাইম পাস বা সাময়িক চুলকানি হতে তাকে বিরক্ত করছেন তবেই সেরেছে।

মনে রাখবেন অনেকেই বড় ভাইদের লেজ ধরে চলে যান আবার অনেকে তাদের টিকিও দেখতে পান না.... তাই দিন থাকতে বিশ্ববিদ্যালয়ে নম্র ভদ্র বিনয়ী হয়ে যান। :)

:) সূত্র ৪: পরিবারের কেউ বাইরে থাকলে তাকে বলে দেখতে পারেন। হয়তো আরও ভাল সাপোর্ট পাবেন। তবে এটাকে সূত্র ৪ বলার একটি বিশেষ সামাজিক মনোবৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে। জ্ঞানীরা বুঝে নেবেন। -_-

:) শেষ সূত্রঃ একটু ব্লগ বা নানা স্কলারশিপ সাইট এ গিয়ে অবসর সময়ে ঢুঁ মারতে পারেন। মিয়া খলিফার পাশাপাশি। >:( সাথে বিভিন্ন IELTS, GRE, TOFEL এর প্রতিষ্ঠানের দেয়া ফ্রি ক্লাসগুলি করে দেখতে পারেন। ধারণা বেড়ে যাবে। মাঝে মাঝেই বাংলাদেশে স্কলারশিপ ফেয়ার হয়। ফেসবুকে তা পাওয়াও যায়। সেই পেজগুলিতে লাইক দিতে পারেন ট্রলপেজগুলির পাশাপাশি। :/

মনে রাখবেন, যেখানেই যান যা ই করুন। আগ্রহ নিয়ে করুন। আধখাচড়া করলে অন্য কোথাও কি হবে জানিনা তবে এই ক্ষেত্রে, মানে স্কলারশিপ পাবার ক্ষেত্রে সম্ভাবনা শূন্যর কাছাকাছি চলে যায়।

কাগজপত্রগুলি (লিংকঃ goo.gl/ZeVsAa ) টিপটপ রাখুন। মনকে বড় ও উদার করুন। তারপর খোঁজা শুরু করুন। হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ্ :)

Comments

Popular posts from this blog

থিসিস (Thesis) লেখার ধাপ সমূহ

  সানি, এত ছোট থিসিস লেখলে হবে না, কমপক্ষে ৫০ পৃষ্ঠা তো করো.... দেশী সুপারভাইজরের মুখে এ কথা শুনে আমি চৌটানায় পড়ি.... পেপার লিখতে হলে যদি ৭-১১ পৃষ্ঠাতেই হয়ে যায় তবে সেই জিনিসের থিসিস কেন বড় করতে হবে বা এত এত এত লিখতে হবে..... মনে হচ্ছিলো জীবনটা থিসিস লিখতে লিখতেই বুড়ো হয়ে যাবে... তবে একথা সত্য যে কপিপেস্ট বিদ্যার জোরে আমাদের অনেকেই থিসিস ৭ দিনে সটান করে ফেলে.... পরে গবেষনাপত্র বা পেপার লিখবার সময় ধরা খায়। তবে থিসিস লেখবার ধাপ, নিয়ম ও কারুকার্য Research Methodology নামক কোর্সে পড়ানো হয়। তবে সব ডিপার্টমেন্টের সবাই তেমন সৌভাগ্যবান নাও হতে পারেন এই কোর্স পাবার..... হাহাহা.... আমরা গবেষণা চাই কিন্তু গবেষণা কি করে করতে, পড়তে, লিখতে, দেখাতে হয় তা শেখাই না.... জয় বাংলা !! আসুন বাংলাতে তা দেখে নেয়া যাক... Title শিরোনাম লেখার এক এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক এক ডিজাইন ব্যবহার করার হয়। বড়ভাইয়ের থিসিস দেখে কপি মারুন। শেষ। Declaration এখানে আপনি লেখবেন যে এই থিসিস করতে গিয়ে আপনি কোন চুরি করেননি ও কপি করেন নি কাউকে, পরিশ্রম করেছেন.... হালকা নিজের ঢোল পিটিয়ে নিচে সই করুন। এখানে আপনি লেখবেন যে এই থি...

জার্নালের ফী কত করে?

মন দিয়ে পড়তে হবে। ছকটি খেয়াল করে দেখি। জার্নালা দু প্রকারঃ ভাল জার্নাল নিম্নমানের জার্নাল ভাল জার্নাল ৪ প্রকারঃ উচ্চ Q1 মধ্য Q2 মোটামুটি Q3 চলে Q4 এখন প্রতিটা Q1, Q2, Q3 ও Q4 এর ধরণ ভেদে দুটি সুবিধা রয়েছেঃ Open Access মানে হলো পুরো পেপারটা ডাউনলোড করা যায়। Close Access মানে হলো খালি এবস্ট্রাক্ট/অনেক ক্ষেত্রে এটাও দেখতে দেয়না। শুধু শিরোনাম দেখায়। পুরো পেপার নিতে হলে ডলার দেয়া লাগে। বা চুরি করা লাগে। আর এই সবগুলির-ই ছবিতে দেয়া সবকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। অর্থাৎ ভাল জার্নালেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। খারাপেরও C1, C2, C3, C4 এবং C5 রয়েছে। আর এদের মধ্যেঃ C1 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C2 ছাপানো ফ্রী এবং পুরো পেপার দেখা যায় কিন্তু কোন টাকা লাগে না। C3 ছাপানো ফ্রী কিন্তু পুরো পেপার দেখা যায় না। C4 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নাল এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে। C5 পুরো পেপার দেখা যায়। টাকা দেয়া লাগে। সাধারণত প্রিডেটরী জার্নালগুলি এখানে পড়ে। কিছু ভাল জার্নালও আছে এখানে যারা পাবলিকেশন চার্জ নেয় না কিন্তু রঙিন ছবি বা গ...

ইন্টার্নশিপ ভাল নাকি থিসিস বা প্রজেক্ট?

  ওসাম দেশের ওসাম নিয়ম। চাকরী করতে গেলে অভিজ্ঞতা লাগবে কোন প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা ও পাশ করবার কাঠামো টা তেমন করে গড়া হয় নি তাহলে এক্সপেরিয়েন্স সনদ কি নাযিল হবে আসমান হতে? যে কোন বিষয়ের সিলেবাসটা একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে বছরের পর বছর একই বিষয়ের পড়াশুনো বারবার রিপিট করা হচ্ছে সিলেবাস বড় করবার জন্য অথচ কত নতুন বিষয় বাদ পড়ে যাচ্ছে। সেম শিট দিয়ে টার্মের পর টার্ম কাজ চালানো হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ের... এভাবেই একই গরুর বিভিন্ন নাম দিয়ে কোর্স রিপিটেশন করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা হচ্ছে কিন্তু নতুন বিষয় বা সম্ভাবনাগুলি জানছে না কেউ। যেমন কেউ আমাকে মেরিন ইকোলজি ও মেরিন বায়লজির মধ্যে পার্থক্য দেখাতে পারবেন যে এই এই কারণে এই দুটি টপিককে অালাদা ৩ ক্রেডিটের বিষয়রুপে পড়ানো উচিত ও তাতে এই এই ফায়দা হবে.... যেখানে রিমোট সেন্সিং ও ডাটা প্রসেসিং এর একটি ইন্টার্নশিপ ঢুকিয়ে দিলেই কতই না ফায়দা হবে... ব্যবহারিক শিক্ষা + ওই প্রতিষ্ঠান হতে ৬ মাস কাজ করেছে তার সনদ। হয়ে গেল অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট। যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন বিষয়েই এই কাজ করা সম্ভব। ছাত্রছাত্রীরা চয়েজ করবে যে তারা ইন্ট...